advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিশুর অ্যাজমা চিকিৎসায় বিভ্রান্তি

২৯ জুলাই ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ২৯ জুলাই ২০১৯ ০৮:৩০
advertisement

বেশিরভাগ অভিভাবকই মনে করে থাকেন, শিশুরা বড় হলে অ্যাজমা এমনিতেই সেরে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। শিশুর শৈশব থেকেই অ্যাজমার চিকিৎসা যথাযথভাবে না করানো হলে সে যত বড়ই হোক বা যতই সাঁতার শিখুক, অ্যাজমা থেকে রক্ষা পাওয়া খুবই কঠিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে না থাকলে অ্যাজমা ক্রনিক হয়ে সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে তারা রোগীর পারিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখেই বুঝতে পারেন আপনার অ্যাজমা আক্রান্ত সন্তানটি ভবিষ্যতে কতটুকু ভালো ও সুস্থ থাকবে। অনেকেরই ধারণা, ইনহেলার একবার নেওয়া শুরু করলে সারা জীবন ব্যবহার করতে হয়। এ ক্ষেত্রে বাস্তবতা হলো-চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র দিলেও অনেক অভিভাবক শিশুকে ইনহেলার দিতে চান না।

তারা মনে করে থাকেন, এটাই শেষ চিকিৎসা এবং একবার ব্যবহার শুরু করলে সারা জীবন ব্যবহার করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে ইনহেলার অ্যাজমার সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি সরাসরি শ্বাসতন্ত্রে গিয়ে কাজ করে। ফলে অন্যান্য ওষুধ কম লাগে এবং অল্প সময়েই কাজ হয়। সর্বোপরি এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। শিশুর স্পেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়। অনেক অভিভাবকই প্রশ্ন করে থাকেন, অ্যালার্জি থেকে কি অ্যাজমা হয়?

সত্যিকার অর্থে, অ্যাজমা অ্যালার্জিজনিতই রোগ। যেসব দ্রব্য ব্যবহার করলে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হতে হয়, এমন দ্রব্য পরিহার করে চলতে পারলেই এ রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়। পুরনো ধুলোবালি ও ঘরের লেপ-তোশকের সঙ্গে অ্যালার্জি ছড়ায়।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা : বিশ্বের অধিকাংশ দেশে অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশনের মাধ্যমে অ্যাজমার চিকিৎসা দিয়ে সুফল পাওয়া যাচ্ছে। কাজেই রোগ নিজের ভেতরে পুষিয়ে রাখা হয়, যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমেই ভালো ও সুস্থ থাকা সম্ভব।

লেখক : অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ

চেম্বার : অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড হলিস্টিক হেলথ কেয়ার, স্কাইটাচ রাজকোষ

৪৩/আর, ৫/সি পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা

০১৭২১৮৬৮৬০৬, ০১৯২১৮৪৯৬৯৯

advertisement