advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ. কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী বাড়ানো নিয়ে সেমিনার

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে
১ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৫৩ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০১৯ ১৫:১৮
advertisement

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী (ইপিএস সদস্য) বাড়ানো নিয়ে এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার দেশটির আনসান শহরের অঙ্গোগ দোংয়ের বিদেশি আবাসিক সহায়তা কেন্দ্রের প্রধান হল এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

গোপালগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ কোরিয়া (জিএএস কে)-এর আয়োজনে কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বাংলাদেশি ইপিএস কর্মী, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবি, সমাজসেবীসহ বিভিন্ন পেশার বহু বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ও আলোচক ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ায় (সিউলে) বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম। বিশেষ আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাস এর প্রথম সচিব (শ্রম) মকিমা বেগম।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ও প্যানেল প্রধান রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম বলেন, ‘জিএএসকেকে সময় উপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল ডিসকাশনের আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আজকের আলোচনায় যে সমস্যাগুলো উঠে এসেছে তা যদি আমরা পরিহার করতে না পারি। তাহলে আগামী ইপিএস পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত অন্য পনেরোটা দেশের সঙ্গে আমরা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আসবো।’

তিনি বলেন, ‘যে কোম্পানিতে প্রথম এসেছেন সেটাতে যদি পুরো সময় থাকেন, তাতেই বেশি লাভবান হবেন এবং বাংলাদেশে রেমিটেন্স বেশি যাবে।’ এসময় তিনি সকল ইপিএস কর্মীকে তাদের মালিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখারও পরামর্শ দেন।

সেমিনারের শুরুতেই গোপালগঞ্জ আ্যসোসিয়েশন অব সাউথ কোরিয়া (জিএএসকে) এর সাধারণ সম্পাদক ও এই আয়োজনের সমন্বয়কারী ডেভিড ইকরাম প্যানেল ডিসকাশনের কারণগুলো তুলে ধরে বক্তৃতা করেন।

প্রথম পর্বে প্যানেল ডিসকাশনের (সেমিনার) মূল বক্তব্য প্রদান করেন গোপালগঞ্জ আ্যসোসিয়েশন অফ সাউথ কোরিয়া’র সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন। দ্বিতীয় পর্বে প্যানেল ডিসকাশনের মডারেটর হিসেবেও পুরো আলোচনার পরিচালনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনিতিবিদ আব্দুল মতিন, রফিকুল ইসলাম ভুট্টো, মুন্সী রফিকুল ইসলামসহ সাবেক সিনিয়র ইপিএস সদস্য রবিউল ইসলাম, রকিব মৃধা, ডালিম, শেখ রিপন, প্রবাসী গবেষক ড. নাজমুল হুদা, ইপিএস কর্মী শেখ অমর, আমিনুল মোগল এবং ইসরাত জাহান এমা।

সেমিনারে বাংলাদেশি ইপিএস নারী সদস্য ইশরাত জাহান এমা বলেন, ‘কোরিয়ান কালচারের সঙ্গে বাঙালি মেয়েদের খাপ খাওয়াতে কষ্ট হয়। বাংলাদেশি মহিলা কর্মীরা যদি বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে কোরিয়ান সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেয় তাহলে কোরিয়াতে বাংলাদেশি মহিলা কর্মীর চাহিদা বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার উইংসের শেখ নিজামূল হক বলেন, ‘মামলা মকদ্দমার কারণে কোরিয়ান মালিকেরা অনেক সময় খুব ঝামেলায় পড়ে যান, কোরিয়ান মালিকেরা সব সময় খুব ব্যস্ত থাকেন। থানা পুলিশ করার সময় তাদের থাকে না। অনেকে নিজেদের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে বা ডরমিটরিতে রান্না করার ব্যবস্থা না থাকলেও রান্না করতে চায় যেটা কোরিয়ান মালিকদের জন্য একটা বাড়তি ঝামেলা হয়ে দাঁড়ায়।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ‘অন্যান্য সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশের ইপিএস কর্মীরা যতটুকু ত্যাগ স্বীকার করছেন। তাদের মতো যদি বাংলাদেশি কর্মীরা পরিশ্রমী ও আরও বেশি ত্যাগী হন তাহলে বাংলাদেশী কর্মীর সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে ছিল কোরিয়ার নামকরা মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি জি-মানি ট্রান্স। ইয়াসিন, সামাদ, সজল, নাসিম, শামীম রুবেল চৌধুরী, রকিব, রুবেল খন্দকার, রিপন, রাসেল, জিহাদ, শাওন ও আরেফিনসহ অনেকে।

advertisement