advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আজাদ কাশ্মীরে সফরে ইমরান খান

অনলাইন ডেস্ক
১৪ আগস্ট ২০১৯ ১৫:৪২ | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৯ ২১:৪৩
advertisement

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আজাদ কাশ্মীরে সফরে গিয়েছেন। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে সেখানে তিনি ভারতকে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খবর পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের।

সপ্তাহখানেক আগে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর আজ বুধবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের দিন ইমরান খান কাশ্মীর সফরে গেলেন।

এর আগে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থনের বিষয়ে জনসাধারণকে বিশ্বাস করতে নিষেধ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। তিনি বলেন, ‘বোকার স্বর্গে বাস করা উচিত নয়। কেউ সেখানে (নিরাপত্তা পরিষদ) হাতে মালা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে না। সেখানে কেউ আপনার জন্য অপেক্ষা করবে না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আবেগকে হাওয়া দেওয়া সহজ এবং কোনো বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলা আরও সহজ। কঠিন হলো বিষয়টি বুঝে তারপর সামনে এগোনো। তারা (জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ) আপনাদের জন্য হাতে ফুলের মালা নিয়ে অপেক্ষা করছে না। স্থায়ী পাঁচ সদস্য রাষ্ট্রের একজনও বাধা সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট। আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করবেন না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্পষ্ট করে বলেছে, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা অপসারণের জন্য সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদটি বাতিল করার পদক্ষেপ একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং পাকিস্তানকে “বাস্তবতা মেনে নেওয়ার” পরামর্শও দিয়েছে।’

কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার পর রাজ্যটির মর্যাদা পনর্বহালের চেষ্টা হিসাবে কূটনৈতিক তদবিরে জোর দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতের অবৈধ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান।

ইতিমধ্যে ভারতীয় কূটনৈতিককে বহিষ্কার করেছে ইসলামাবাদ। দুই দেশের মধ্যের বাণিজ্যিক ও আন্তঃসীমান্ত পরিবহনও বাতিল করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে দিল্লিকে তার সিদ্ধান্ত থেকে এতটুকু নাড়াতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনা করেছেন ইমরান খান। হিটলারের নাৎসিবাদের মতো ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদের সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে চোখ বন্ধ রাখায় তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিন্দা জানান।

advertisement