advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত মুখরিত পর্যটকদের ভীড়ে

১৪ আগস্ট ২০১৯ ১৭:৫৭
আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৯ ১৭:৫৭
advertisement

পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ উপভোগ করতে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বেলাভূমি কুয়াকাটায় পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত কুয়াকাটার নৈসর্গিক শোভার প্রানবন্ত ছোঁয়া পেতে ভ্রমণ পিপাসু হাজার হাজার পর্যটক কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছেন।

গত দুই দিন বৈরী আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের আনাগোনা কম হলেও ঈদের তৃতীয় দিনে সৈকতজুড়ে পর্যটকদের পদচারণা রয়েছে। একদিকে বর্ষার রিমঝিম বৃষ্টি অন্যদিকে সমুদ্রের ঢেউ এ এক অন্য রকম ভালো লাগা।

পূর্ব আকাশে মেঘের রাজ্যে লুকোচুরি খেলা। কখনো আকাশ থেকে ঝুপঝুপ বারী পড়া। এ বছর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত এবং সরকারি ছুটি একটু বেশি হওয়ায় হাজার হাজার পর্যটকদের আগমন ঘটেছে বলে মনে করছে টুরিষ্ট পুলিশসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এছাড়া সাবমেরিন ল্যান্ডিং ষ্টেশন, শেখ রাসেল সেতুর উপর দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় সূর্যাস্ত অবলোকনের পর পর্যটকরা ছুটে যান রাখাইনদের আদি কুয়া অথবা রাখাইন পল্লিতে। কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন রয়েছে নজরকাড়া প্যাগোডা।

রাখাইন মহিলা মার্কেট, মিশ্রিপাড়ায় অবস্থিত এশিয়ার সর্ববৃহৎ সীমা বৌদ্ধ বিহার। ইকোপার্ক, লেম্বুরচর, শুটকিপল্লি, ইলিশপার্কসহ বিভিন্ন আকর্ষনীয় স্থান। পর্যটকদের বাড়তি বিনোদনে প্রস্তুত ছিল নৌতরী। কেউ বিচে ছাতার নিচে বসে সাগরের জল আর সূর্যরশ্মীর রঙ্গিন খেলায় মেতে উঠা অপরূপ দৃশ্য অবলোকন করছেন।

৩০ কি.মি. দীর্ঘ সৈকতের গাঁ ঘেষে দাঁড়ানো নারকেল বাগান, গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, দক্ষিণে দৃষ্টিসীমা যতদুর যায় শুধু নীল সাগরের জলরাশি। অন্যদিকে দিগন্তজুড়ে লালিমা আকাশের গায়ে আবির মাখানো দৃশ্য পর্যটকদের অন্তরাত্মাকে প্লাবিত করে দিচ্ছে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা মো. আবুল কালাম আজাদ (৩০) বলেন, একই স্থানে দাড়িয়ে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত উপভোগ করার দৃশ্য একমাত্র কুয়াকাটায় যা সত্যিই উপভোগ্য।

হোটেল খাঁন প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল খাঁন বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে আমাদের হোটেলের সবগুলো রুম বুকিং আছে।

কনফিডেন্স টুরিষ্ট সেন্টারের অপারেটর মো. সবুজ মৃধা বলেন, কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা আমাদের কাছে বিভিন্ন স্পটের তথ্য জেনে নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা সর্বদা নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছি। এছাড়া কুয়াকাটার বিভিন্ন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

advertisement