advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রিফাত হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল

বরগুনা প্রতিনিধি
১৪ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৩৯ | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৯ ১৮:৩৯
advertisement

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল আজ বুধবার। আজও চার্জশিট সম্পন্ন ও দাখিল করতে পারেনি বরগুনা পুলিশ। নতুন করে আগামী ২২ আগস্ট পুলিশের প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে গ্রেপ্তারকৃত ১৪ জন আসামিকে হাজির করা হয়। যশোরের শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে থাকায় রাতুল সিকদারকে আদালতে হাজির করা হয়নি। রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন- রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী, চন্দন সরকার, রাব্বি আকন, হাসান, অলি, টিকটক হৃদয়, সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবন, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, তানভীর, নাজমুল হাসান, রাতুল সিকদার ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ নম্বর আসামি মুসা বন্ড, সাত নম্বর আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, আট নম্বর আসামি রায়হান ও ১০ নম্বর আসামি রিফাত হাওলাদারকে এখনো পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। প্রধান আসামি নয়ন বন্ড গত ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ঢাকার ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পাওয়া যায়নি, তাই প্রতিবেদন সম্পন্ন করা হয়নি বিধায় আজ তিনি আদালতে দাখিল করতে পারেননি। তবে পরবর্তী তারিখে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, গত ৩০ জুলাই তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন দাখিলের কথা ছিল। ওই তারিখে তিনি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। আজকেরও পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তিনি জানিয়েছেন, রিফাত হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকা আসামিদের নাম উল্লেখ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন করলে এবং বিচারক তা গ্রহণ করলে সেটিই চার্জশিট হিসেবে গণ্য হবে।

এদিকে মামলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গত ১৬ জুলাই রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরের দিন তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার দুদিন পরে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। গত ৩১ জুলাই সেই স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের জন্য মিন্নি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বরগুনার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে আবেদন করেছেন। বিচারক তার আবেদন গ্রহণ করে নথিভুক্ত করেছেন।

advertisement