advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খালেদা জিয়ার জন্মদিন বৃহস্পতিবার, বিএনপির কর্মসূচি শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৩০ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০২:৪৪
পুরোনো ছবি
advertisement

কারাবন্দী দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপনে এবার ১৫ আগস্ট কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপি। বরং তার আরোগ্য কামনায় দলের পক্ষ থেকে একদিন পর শুক্রবার দোয়া মাহফিল করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা জানান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত দেড় বছর ধরে কারাবন্দী। অসুস্থতার জন্য গত ১ এপ্রিল থেকে তিনি রয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।

এদিকে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের দিন খালেদার জন্মদিন উদযাপন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিতর্কিত একটি অধ্যায় হয়ে আছে।

বিএনপি বলেছে, ১৫ অগাস্ট বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়া ৭৪ বছর পূর্ণ করবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এলে তার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, খালেদা জিয়ার জন্মদিনের কোনো কর্মসূচি রয়েছে কি না? জবাবে বিএনপি এই নেতা বলেন, ‘আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অগাস্ট) নাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনটি আমরা পরেরদিন শুক্রবার করব। বিএনপির উদ্যোগে তার এই জন্মদিন উপলক্ষে পরশুদিন শুক্রবার ঢাকাসহ সারা দেশে দেশনেত্রীর রোগমুক্তি ‍ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আমাদের নেত্রী ক্ষমতাসীন দলের প্রতিহিংসার শিকার। বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদেশের গণমানুষের নেত্রী যিনি বার বার হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন এবং জনগণকে যে ওয়াদা করেন সেই ওয়াদা রক্ষার্থে যিনি আপসহীন লড়াই করেন, সেই নেত্রী আজকে প্রতিহিংসার কারণে কারাগারে বন্দী রয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন মেজবাহউদ্দিন, টিএস আইয়ুব, আমিনুল ইসলাম, আয়শা সিদ্দিকা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০১৪ সালের ১৫ অগাস্ট ৫০ পাউন্ডের কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালের ১৫ অগাস্ট প্রথম প্রহরে তিনি কেক না কাটলেও সন্ধ্যার পর কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

তবে পরের বছর বন্যা, গুলশান হামলা, গুম-খুনকে কারণ দেখিয়ে কেক কাটার কর্মসূচি বাতিল করেছিলেন খালেদা জিয়া।

advertisement