advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দরপতনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কমার পেছনে সিন্ডিকেটের কারসাজি রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঈদের ছুটি শেষে গতকাল বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

চামড়া নিয়ে ‘সিন্ডিকেটের কারসাজির’ অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ

করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, চামড়ার ব্যাপারে বাস্তব চিত্রটা কীÑ তা ভালোভাবে জানা নেই। নিরপেক্ষভাবে জানা দরকার সিন্ডিকেটের বিষয়টি। এ রকম চক্র আমাদের দেশে আছে, ফায়দা লোটার জন্য সিন্ডিকেট করে। চামড়ার ক্ষেত্রেও এটি হয়েছে কিনা খোঁজখবর নেওয়া হবে।

এবার ঈদের দিন থেকেই সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া কেনা হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। ট্যানারি মালিকরা বকেয়া টাকা দেননিÑ এ যুক্তি দেখিয়ে আড়তদাররা চামড়া কেনা বন্ধ রাখলে কাঁচা চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

দিনাজপুরে কাঁচা চামড়া বিক্রি করতে না পেরে বাজারে ফেলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামেও লাখখানেক পশুর চামড়া সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। পরে সেগুলো সরিয়ে মাটিচাপা দেয় সিটি করপোরেশন।

এরই মধ্যে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী গত মঙ্গলবার অভিযোগ করেন- ক্ষমতাসীন দলের সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কমিয়ে পাশের দেশে পাচার করা হচ্ছে।

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের পর মাত্র একদিন সময় গেল, এ সময়ে পুরো বিষয় মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। সব কিছু মিলিয়ে সামগ্রিকভাবে বিষয়টি মূল্যায়ন করতে হবে।

ঢালাও অভিযোগ করা বিএনপির পুরনো অভ্যাস মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যদি কোনো সিন্ডিকেটের কারসাজি হয়ে থাকে, যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি বলুন, তথ্য-প্রমাণসহ বলতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, তারা সব সময় নেতিবাচক বিষয়কে আঁকড়ে ধরে, সরকারের সামান্য কিছু পেলেই সেটা নিয়ে তারা ঢালাও বিষোদ্গার করে। এটি বিরোধী দলের ঢালাও বিষোদ্গার কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার ইতোমধ্যে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করে মানুষ যে দাম পাচ্ছে, সেটা যৌক্তিক নয়। মানুষ যেন ন্যায্য দাম পায়, তা নিশ্চিত করতেই সরকারের এ পদক্ষেপ।

চামড়ার পাইকারি ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও ট্যানারি মালিক ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদকরা ক্ষতির আশঙ্কায় সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

advertisement