advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের

আমাদের সময় ডেস্ক
১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৬
advertisement

বাংলাদেশে পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে সব ধরনের নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি মানবাধিকার সংস্থা। একই সঙ্গে এরই মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় নির্যাতনের যেসব বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ১৯৯৯ সালে নিরাপত্তা হেফাজতে নির্যাতন নিষিদ্ধে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিধিতে স্বাক্ষর করে। কিন্তু এই বিধি কতটা অনুসরণ করা হয়েছে তার প্রতিবেদন জমা দিতে ২০ বছর সময় লেগেছে সরকারের। গত মাসে সরকার এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর, বাংলাদেশ এ বিধি কতটা অনুসরণ করছে তা নিয়ে প্রথমবারের এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বাংলাদেশের এই দেরির তুমুল সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্যানেল সদস্য ফেলিস গার। এ বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, গত ২০ বছরে বাংলাদেশ আমাদের কাছে কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। কেবল একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে শুধু এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের কথা বলা আছে।

যদিও আইন ও বিচারমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কমিটিকে জানিয়েছে, সহিংস সাজা ও নির্যাতনের ঘটনা বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর। এরই মধ্যে বাংলাদেশ কারাবিধি সংস্কার শুরু করেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতনে মৃত্যুর ব্যাপারে সরকার ‘জিরো-টলারেন্স’ অবস্থানে রয়েছে।

কিন্তু তার পরও জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। ফেলিস গার জানান, বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত নির্যাতন সংক্রান্ত মৃত্যুর ১৭টি অভিযোগ উঠেছে। যদিও সরকার এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানাতে পারেনি।

advertisement