advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঈদের দিন দুই নাতনিকে নিয়ে খাবার খেলেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৮
advertisement

দুই নাতনিকে নিয়ে বাসার রান্না করা খাবার খেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দুই নাতনি হলো ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান। ঈদের দিন তাদের মা শর্মিলা রহমান সিঁথির সঙ্গে দাদি খালেদা জিয়াকে দেখতে যান বিএসএমএমইউ হাসপাতালে।

গত ১ এপ্রিল থেকে ৬২১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন অসুস্থ খালেদা জিয়া দুই নাতনিকে পেয়ে খুশি হয়েছেন বলে জানান স্বজনরা। দাদির পায়ে ধরে সালাম করার পর দুই নাতনিকে বুকে জড়িয়ে আদর করেন কারাবন্দি সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, ম্যাডামের সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়ে ১৭ জনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন কারা কর্তৃপক্ষ সীমিত পরিসরে ৬ জনকে দেখার অনুমতি দেয়। কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ে ছাড়া ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও ছেলে অভিক এস্কান্দার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে এক স্বজন জানান, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি কারও সাহায্য ছাড়া একা হাঁটতে পারেন না, হুইলচেয়ারে চলাচল করতে হয়। হাত-পায়ে আর্থ্রাইটিসের ব্যথাও রয়েছে তার।

ঈদের দিন বেলা দেড়টার দিকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হাসপাতালের কেবিন ব্লকে যান তারা। ছোট ছেলের বউ শাশুড়ির (খালেদা জিয়া) জন্য বাসা থেকে খাবার রান্না করা নিয়ে আসেন। প্রায় দুই ঘণ্টা স্বজনদের সঙ্গে কাটিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এক স্বজন জানান, ঈদের দিন শর্মিলার আনা খাবারের মধ্যে ছিল পোলাও, মাংসের রেজালা, আলুর চপ, সবজি, জর্দা, দুধ-সেমাই ও মিষ্টি। পরিবারের সদস্যরা যখন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান তখন মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, সাবিনা ইয়াসমীন, ড্যাব ও ছাত্রদলের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে কেবিন ব্লকের নিচে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

ঈদের দিন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে রাজধানীতে মিছিল : কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত সোমবার ঈদুল আজহার দিন রাজধানীতে মিছিল করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কাছে এসে মিছিল শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের আরিফুর রহমান নাদিম, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আবদুর রহিমসহ ফিরোজ আলম পাটোয়ারী, জামালউদ্দিন, ছাত্রদলের রবিউল ইসলাম প্রমুখ। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খালেদা জিয়া ভয়াবহ অসুস্থতার পরও এ সরকার তার প্রতি আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে। বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে প্রতিনিয়ত তাকে বিভিন্নভাবে জামিনে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। ঈদুল আজহার দিনেও খালেদা জিয়ার মনে আনন্দ নেই। কারণ তাকে অন্যায় ও অবিচারমূলকভাবে কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে। আমি এ মুহূর্তে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।

advertisement