advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শৃঙ্খলা ফেরাতে দৃঢ় পদক্ষেপ জরুরি

১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৯
advertisement

মুসলিমদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হয়ে গেল। অসতর্কতার কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদে দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণহানি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। গত কয়েক দিনে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। উৎসব যাত্রায় যা কারও কাম্য হতে পারে না। গত মঙ্গলবার গাইবান্ধা, গোপালগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও নরসিংদীতে দুজন করে এবং যশোরে একজন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গতকাল বুধবার দিনাজপুরে একজন, বগুড়ায় তিনজন ও নাটোরে একজন ও টাঙ্গাইলে একজন নিহত হয়েছেন। তবে এ সংখ্যা এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট নয়। নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মানুষকে প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে হয়, যানবাহনে চড়তে হয়। কিন্তু প্রতিনিয়ত যদি লাশ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে তা হলে সেটা কোনো স্বাভাবিক পরিস্থিতি হতে পারে না। আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনার চিত্র এক কথায় ভয়াবহ। এ থেকে মুক্তি পেতে দেশের মানুষ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। কিন্তু প্রতিবার দুর্ঘটনার পর পরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদন কোনো দিন আলোর মুখ দেখে না। সঙ্গত কারণেই দোষীদের শাস্তিও হয় না। সড়ক দুর্ঘটনার রোধে শুধু কঠোর শাস্তির বিধান করে দুর্ঘটনার হার কমিয়ে আনা সম্ভব নয়। শাস্তির পাশাপাশি আরও অনেক বিষয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। বিশেষ করে ঈদের সময় রাস্তা ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া হয়ে গাড়ি চালানো সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবার আগে প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ। জনগণ নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা চায়। ঈদের মতো উৎসবে আনন্দযাত্রা যেন কান্নায় রূপ না নেয় সে নিশ্চয়তা দিতে হবে সরকারকে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায় নিয়ে ভাবতে হবে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

advertisement