advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মায়ের ওপর অনেক অভিমান তুবার

রেনু হত্যামামলা

ইউসুফ সোহেল
১৫ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৯ ০১:২২
advertisement

গেল বছরের ঈদে দুই সেট জামা পেয়েছিল তাসমিন মাহিরা তুবা। তাতেই অনেক খুশি ছিল; হৈ-হুল্লোড়ে মাতিয়ে রেখেছিল পুরো পরিবারটি। অথচ এবারের ঈদে ১৯ সেট জামা ও ৯ জোড়া জুতা পেয়েও সে বসে আছে ঠোঁট ফুলিয়ে; কেঁদে কেঁদে এর মধ্যেই লাল হয়ে গেছে চার বছরের ফুটফুটে শিশুটির চোখজোড়া। কারণ? অনেক দিন হলো মাকে সে দেখছে না। কত জনের কাছে যে সে আবদার করেছে! কিন্তু কেউ তার মাকে এনে দিতে পারেনি।

২০ জুলাই রাজধানীর উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে মারা যাওয়া তাসলিমা বেগম রেনুর ছোট্ট মেয়ে তুবা এবারই প্রথম তার মাকে ছাড়া ঈদ করেছে। মাতৃ¯েœহ বঞ্চিত তুবার মনে তাই অনেক অভিমান। রেনু মারা যাওয়ার পর তুবা যখন মাকে খুঁজে ফিরছিল, তখন তাকে বোঝানো হয়েছিল, মা তার জন্য নতুন পোশাক আনতে গেছেন। ফেরার সময় চিপস, চকোলেটও নিয়ে আসবেন। এখন বলা হচ্ছে, মা বিদেশে তার মামার কাছে গিয়েছেন। ছোট্ট তুবা তাই ভীষণ কষ্টে আছে। কিন্তু কিছু আনা দূরে থাক, মা নিজেই ফেরেননি। উল্টো ওকে না বলেই বিদেশ চলে গেছেন মামার কাছে? গত সোমবার ঈদের দিনও মোবাইল ফোনে সে মায়ের সঙ্গে কথা বলার অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু মা তার ফোন ধরেন না, কেটে দেন লাইন। তাই মায়ের ওপর তার অনেক রাগ জমে আছে।

তুবা না জানলেও তার বড় ভাই তাসিন আল মাহির ঠিকই জানে প্রাণপ্রিয় মায়ের কি হয়েছে। মায়ের চিরকালীন প্রস্থান আর বাবার উদাসিনতায় মাহিরের হৃদয়েও জমে আছে অনেক মেঘ।

পিবিআইকে তদন্তভার প্রদানের দাবি : রেনু হত্যামামলার বাদী নিহতের ভাগনে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী মামলা করেছিলাম। কিন্তু এখন ঘটনার বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ দেখে মনে হচ্ছে, মূল আসামিরা এখনো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হত্যামামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান তিনি।

advertisement