advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

৫ বছরের মেয়ের সামনে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারল স্বামী

অনলা্ইন ডেস্ক
১৯ আগস্ট ২০১৯ ১৮:০২ | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৯ ১৮:০২
প্রতীকী ছবি
advertisement

তিন তালাক পেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করায় পাঁচ বছরের শিশুকন্যার সামনে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারল স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা। ভারতের উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীর গদ্রা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।   

নিহতের বাবা রমজান খানের অভিয়োগ, গত ৬ আগস্ট টেলিফোনে তার মেয়ে সায়িদাকে তিন তালাক দেয় তার স্বামী নাফিস (২৬)। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাইদা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। এবং তার স্বামী মুম্বাই থেকে ফেরা পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে বলে পুলিশ। সায়িদার স্বামী মুম্বাইয়ে কাজ করে। পরে ১৫ আগস্ট নাফিস বাড়ি ফিরলে পুলিশ স্বামী-স্ত্রী দুইজনকেই ডেকে পাঠায়। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর সায়িদাকে তার স্বামীর সঙ্গে থাকতে বলে পুলিশ। 

এর পরের ঘটনা পুলিশের কাছে বর্ণনা করে তাদের পাঁচ বছর বয়সী ফাতিমা। পুলিশকে সে জানায়, ‘শুক্রবার বাবা নামাজ পড়ে এসে মাকে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। বলে সে তিন তালাক দিয়েছে মাকে। এরপরই শুরু হয় ঝামেলা। আমার দাদা আজিজুল্লাহ, দাদি হাসিনা, ফুফু গুড়িয়া ও নাদিয়া আসে। বাবা মায়ের চুল ধরে পেটাতে থাকে। ফুফুরা কেরোসিন ঢেলে দেয় মায়ের গায়ে। দাদা-দাদি মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।’

পুলিশ সায়িদার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। সায়িদার ভাই রফিক জানিয়েছে, ‘পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। আমি প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাব।’

শ্রাবস্তীর পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, নাফিস ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে খুন, পণের দাবিতে হেনস্থার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। তিন তালাকের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া কেন পুলিশ সায়িদার অভিযোগ নেয়নি, তাও তদন্ত করে দেখা হবে বলে বলে জানান তিনি।

advertisement