advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত হলে শিগগিরই দারিদ্র্যমুক্ত হবে বাংলাদেশ : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদেক
২০ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৪০ | আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৪০
advertisement

নিয়মিতভাবে সঠিক শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে পারলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

আজ মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে তিন দিনব্যাপী ‘শ্রম কল্যাণ সম্মেলন ২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ আশা প্রকাশ করেন।

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান ও রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হতে হবে। সঠিক শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে পারলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে হবে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবেই এবং প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘প্রবাসী কর্মীরা রেমিটেন্স, টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রবাসী কর্মীরা যাতে দ্রুততম সময়ে সহজ পদ্ধতিতে সেবা পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে আমাদের প্রতিযোগী অনেক দেশ। অনেক প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সফলতার সঙ্গে টিকে আছে।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, আয়েশা ফেরদৌস, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ জুলহাস এনডিসি, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. সেলিম রেজা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৬টি দেশের ২৯টি মিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) ও প্রথম সচিবরা (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।

advertisement