advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছেলেধরা সন্দেহে বেঁধে পেটানো হলো নারীকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩১ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০১৯ ০১:৫৯
advertisement

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। পরে ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ত্রিমোহনী বাজার জামে মসজিদের পেছনে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে ৫ বছর বয়সী মেয়ের হাত ধরে টান দেয় ওই নারী। এতে শিশুটি চিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন এসে ওই নারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। এরপর শিশুটির বাবা তারা মিয়া তাকে আটকে ত্রিমোহনী বাজারের একটি দোকানের খুঁটিতে বেঁধে পেটায়।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সাহায্য চান। কিছুক্ষণ পরেই কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সোহেল। তিনি জানান, মঙ্গলবার ছেলেধরা সন্দেহে ত্রিমোহনী এলাকায় এক নারীকে আটক করা হয়। পরে ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আমরা আমরা ফোর্স পাঠিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তার পরিচয় জানার চেষ্টা করছি আমরা।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজার রহমান জানান, ওই নারীকে দেখে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হচ্ছে। তাকে ছেলেধরা সন্দেহে আটকে রাখা হয়েছিল। তবে তাকে বেঁধে পেটানোর কোনো অভিযোগ পাইনি।

তবে সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের খবর দিয়েছি। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে ওই নারীর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

advertisement