advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় আসমাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০১৯ ০১:৩৮
advertisement

শ্বাসরোধে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল মাদ্রাসাছাত্রী আসমা আক্তারকে (১৭)। গত সোমবার সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে পরিত্যক্ত ট্রেনের বগির টয়লেট থেকে এ কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ধর্ষণের আলামত ছাড়াও তার শরীরে মিলেছে নির্যাতনের চিহ্ন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘মরদেহের কিছু নমুনা সংগ্রহ করে প্যাথলজিতে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

ঢাকা রেলওয়ে (কমলাপুর) থানার এসআই মো. আলী আকবর জানান, গত সোমবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশন ওয়াসা ফিটের পূর্ব পাশে বলাকা কমিউটার ট্রেনের পরিত্যক্ত বগির টয়লেটে পড়েছিল আসমার লাশ। তার ডান স্তনে কামড়, গলার চারদিকে কালো গোলাকৃতির দাগসহ কপালে ছিল আঘাতের চিহ্ন। গলায় ওড়না দিয়ে গিট লাগানো ছিল।

পুলিশ সূত্র জানায়, বলাকা কমিউটার ট্রেনের পরিত্যক্ত বগির টয়লেটে আসমা কীভাবে এলো এবং কারা তাকে নিয়ে এসেছে তা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা হবে। তবে জানা গেছে, প্রেমের টানে গত রবিবার সকালে বাঁধন নামে এক তরুণের সঙ্গে পালিয়ে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে আসমা। এর পরই সে খুন হয়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমিক বাঁধন সহযোগীদের নিয়ে আসমাকে হত্যার পর পালিয়েছে।

নিহতের চাচা রাজু আহমেদ জানান, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কোণপাড়া গ্রামের মো. আবদুর রাজ্জাকের মেয়ে আসমা। স্থানীয় খানবাহাদুর মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেছিল। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল তৃতীয়। গত রবিবার সকাল থেকে তার খোঁজ মিলছিল না। গত সোমবার খবর পেয়ে ভাতিজির মৃতদেহ শনাক্ত করেন তিনি।

রাজু আহমেদ বলেন, ‘বাঁধন নামে স্থানীয় এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। ওই ছেলে একটি মাদ্রাসার ছাত্র। আমার ভাতিজি নিখোঁজের পর থেকে ওই ছেলেকে এলাকায় আর পাওয়া যায়নি। তাই আমাদের বদ্ধমূল ধারণা, বাঁধনই ফুসলিয়ে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর আসমাকে হত্যা করেছে।’

advertisement