advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুর্নীতির দায়ে সাবেক ওসি সাইফুলের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক
২১ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৪৯ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৪৯
প্রতীকী ছবি
advertisement

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের দুটি মামলায় রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সাত বছর করে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক দুইটি মামলায় আজ বুধবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে স্বামীকে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং দখলে রাখার সহায়তার অভিযোগে একটি মামলায় সাইফুল ইসলামের সঙ্গে তার স্ত্রী জাকিয়া ইসলাম অনুর দুই বছর কারাদণ্ডের রায়ও দিয়েছেন আদালত।

রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি সাইফুল ইসলামের একটি মামলায় তিন লাখ টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর কারাদণ্ড ও তার স্ত্রীকে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে তার আরও তিন মাস কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

অপর মামলায় সাইফুল ইসলামের দুই ধারায় দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে দেড় বছরের বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পৃথক তিন ধারায় সাইফুল ইসলামের ১৪ বছরের কারাদণ্ড হলেও তা রায়ে একসঙ্গে কার্যকর হওয়ার ঘোষণা থাকায় সাত বছর কারাভোগ করতে হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাইফুল ইসলামকে ও তার স্ত্রী জাকিয়া ইসলাম অনুকে আসামি করে ২০১০ সালের ২২ জুন রমনা থানায় দুইটি মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোজাহার আলী সরদার।

সাইফুল ইসলাম এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের একটি মামলায় বলা হয়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সাইফুল ইসলাম নিজ নামে, স্ত্রী ও পোষ্যদের নামে অর্জিত সর্বমোট ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ২১ টাকার এবং স্ত্রী ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। কিন্তু মামলায় তাদের দুই কোটি ৫০ লাখ ৫৭ হাজার ৭৮৬ টাকার সম্পদের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়।

অপর মামলায় বলা হয়, সাইফুল ইসলাম নিজ নামে, স্ত্রী ও পোষ্যদের নামে অর্জিত সর্বমোট পাঁচ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৫০ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। কিন্তু মামলায় তার বিরুদ্ধে সাত লাখ ১০ হাজার ১২৫ টাকার সম্পদের তথ্য যোগন এবং ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৯২৫ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের অভিযোগ করা হয়। উভয় মামলায় ২০১১ সালের ৪ আগস্ট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন।

advertisement