advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গতি বেড়েছে এডিপি বাস্তবায়নে

আব্দুল্লাহ কাফি
২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৬
advertisement

দীর্ঘদিনের চেষ্টার ফলে এখন সরাসরি প্রকল্প বাস্তবায়নের টাকা যাচ্ছে প্রকল্প পরিচালকদের কাছে। এর সুফলও পেতে শুরু করেছে সরকার। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে (জুলাই) গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে অর্থের ব্যয় হয়েছে প্রায় তিনগুণ। বেড়েছে কাজের হার। বিগত অর্থবছরগুলোর প্রথম মাস চলে যায় কাগজপত্র প্রস্তুত করাসহ অর্থছাড়ের জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে। সরাসরি প্রকল্প পরিচালকদের কাছে অর্থ যাওয়ায় এ বছর ব্যতিক্রম হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন (আইএমইডি) বিভাগ প্রকল্প বাস্তবায়নের হার নিয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ৩ হাজার ৯৫১ কোটি।

জানা গেছে, অর্থবছরের প্রথম মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার শূন্যের কাছাকাছি থাকে। গত অর্থবছরেও (২০১৮-১৯) এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ। এ হিসেবে সেই তুলনায় বর্তমান অর্থবছরে (২০১৯-২০) এডিপি বাস্তবায়নের হার বেশ বেড়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, অর্থ ব্যয় ও কাজে গতি আসার মূল কারণ হচ্ছে সরাসরি প্রল্প ব্যয়ের অর্থ পিডিদের কাছে চলে যাওয়া। সরকার এটা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত হচ্ছেÑ মন্ত্রণালয়গুলোর মাধ্যমে প্রকল্পের টাকা না গিয়ে সরাসরি পরিচালকদের কাছে চলে যাচ্ছে। এর ফলে কাজে গতি এসেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বর্তমান অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার চমৎকার হয়েছে। সাধারণত প্রথম মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার শূন্যের কাছাকাছি থাকে নানাবিধ কারণে। কিন্তু এ বছর জুলাইয়ে বাস্তবায়নের হার ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এটা ৩ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। এই বিশাল পরিমাণ টাকা আমরা জুলাই মাসেই ব্যয় করেছি। একই সময়ে গত অর্থবছরে এই হারের পরিমাণ ছিল দশমিক ৫৭ শতাংশ। দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে আমরা এটাকে উঠিয়েছি ১ দশমিক ৮৪ শতাংশে। প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। টাকার অঙ্কে তো গত অর্থবছরে আরও কম ছিল। মাত্র ১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা ছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাইয়ে ব্যয়। গত অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থবছরে টাকার পরিমাণও অনেক বেড়েছে।

advertisement