advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কার্যকর ভূমিকা পালনে ইউজিসির নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৩
advertisement

নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তাই প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্গঠন করে উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে প্রয়োজন নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া। গতকাল বুধবার ইউজিসির সঙ্গে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির মতবিনিময়সভায় বক্তারা এ মত ব্যক্ত করেন। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতার হোসেন, অধ্যাপক ড. এম শাহ্ নওয়াজ আলি, অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, ড. মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, কমিশনের সচিব ড. মো. খালেদ এবং ইরাব সভাপতি মুসতাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হকসহ কমিটির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে ইউজিসির সঙ্গে ইরাব যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এ ছাড়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় নানা অনিয়ম বন্ধে আলোচনা হয় ইউজিসির ভূমিকা নিয়েও।

বক্ত্যারা বলেন, নিজস্ব ক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় কমিশন অনেকটা অসহায়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব আইনে পরিচালিত হয়। পাশাপাশি তদারকি করে ইউজিসি। পৃথক আইনে পরিচালিত হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়ন, নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ সর্বপরি দুর্নীতি বন্ধে ইউজিসি গঠিত হলেও অভিভাবক হিসেবে নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কমিশন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এ জন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ পুনর্গঠন করে ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান করার প্রক্রিয়া চলছে। এটা যেই নামেই হোক তাদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকা উচিত। কারণ সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ইউজিসি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেই দায়িত্ব শেষ করে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে তারা সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। এসব সুপারিশ নিয়ে সভা-সম্মেলন করে বছরের পর বছর পেরিয়ে যায়।

বক্তরা আরও বলেন, বিদ্যমান আইনে ইউজিসির দায়িত্ব এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ভবন, হল, গ্রন্থাগার, পরীক্ষাগার, যন্ত্রপাতি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষা, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করা। এ ছাড়া মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রদান করা হয়।

advertisement
Evall
advertisement