advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চলছে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ

ফেনী প্রতিনিধি
২২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৩
advertisement

ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গতকাল বুধবার ৩৫তম দিবসের সাক্ষ্যগ্রহণ আংশিক শেষ হয়েছে। এদিন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদের আদালতে এই মামলার সর্বশেষ ৯২ নম্বর সাক্ষী ও অভিযোগপত্র প্রদানকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ফেনী শাখার পরিদর্শক মো. শাহ আলম সাক্ষ্য দিয়েছেন। এখনো তার সাক্ষ্য উপস্থাপন শেষ হয়নি। তার জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করবেন। এদিকে ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনকে ফের জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এ মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয় আগামী ২৫ আগস্ট।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানান, নুসরাত হত্যা মামলার সাক্ষ্য কার্যক্রম শেষের দিকে। এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী অভিযোগপত্র প্রদানকারী (তদন্ত) কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ফেনী শাখার পরিদর্শক মো. শাহ আলমের সাক্ষ্য শেষে যুক্তিতর্ক শুরু হবে। এ মামলার ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার এজাহারে ৯২ জন সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ইতোমধ্যে ৯২ জনকে সাক্ষ্যের জন্য আদালতে ডাকা হলে ৫ জন আদালতে সশরীরে উপস্থিত না হলেও তারা ডকুমেন্টারি সাক্ষী হওয়ার কারণে আদালতে উপস্থিত না হয়েও তারা সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। তাদের পক্ষে আদালতে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান, নুসরাতের মা শিরিন আখতার ও বাবা মাওলানা একেএম মুসাসহ ৮৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

advertisement
Evall
advertisement