advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চিরুনি অভিযানে অসহযোগিতা করলে ব্যবস্থা : আতিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ আগস্ট ২০১৯ ১৯:১৭ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৭
advertisement

এডিস মশা নির্মূলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) চলমান ‘চিরুনি অভিযানে’ অসহযোগিতা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর ডিএনসিসি মার্কেট প্রাঙ্গণে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এ হুশিয়ারি করেন তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এডিস মশা নির্মূলে ডিএনসিসি এলাকার ৩৬টি ওয়ার্ডে চলমান ‘চিরুনি অভিযানে’ যদি কোনো বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রহরী অথবা মালিক অসহযোগিতা করে, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘চিরুনি অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনেক বাড়ি ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না, অনেকে সময়ক্ষেপণ করেন। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইতোমধ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এসেছেন, তবে আরো এগিয়ে আসতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘ডিএনসিসির সকল বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, খোলা জায়গা, পরিত্যক্ত ভবন ইত্যাদি ১০ দিনব্যাপী চলমান চিরুনি অভিযানের আওতায় আসবে, কিছুই বাদ যাবে না। তবে পরবর্তীতে এটি চালিয়ে যাওয়াই মূল চ্যালেঞ্জ এবং এজন্য বছরের ৩৬৫ দিনই এডিস মশা নিধনে কাজ করতে হবে।’

মেয়র আতিক আরও বলেন, ‘আমরা শিগগিরই ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট (আইভিএম) এর পরিকল্পনা প্রকাশ করবো। মশক নিধনের যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণ, মশক নিধনকর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান, কীটনাশক প্রয়োগের পরে মশা, অন্যান্য কীটপতঙ্গ এবং সর্বোপরি পরিবেশের উপর প্রভাব ইত্যাদি গবেষণা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ এ পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

চিরুনি অভিযানের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি ব্লকে এবং প্রতিট ব্লককে ১০টি সাব-ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের ১টি করে ব্লক থেকে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা যায় অনুষ্ঠান থেকে। এতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আফসার উদ্দিন খান এবং ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ এর সভাপতি পীযুষ বন্দোপাধ্যায়।

advertisement