advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বার্নিকাটের গাড়িতে হামলায় জড়িতরা শনাক্ত

আমাদের সময় ডেস্ক
২৬ আগস্ট ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৮
advertisement

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সাতজনের নামও পাওয়া গেছে। তবে গত এক বছরে তাদের কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি। মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার (পশ্চিম) মোখলেসুর রহমান বলেন, মামলাটির তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়।

২০১৮ সালের ৪ আগস্ট রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় হামলার শিকার হন বার্নিকাট। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের আমন্ত্রণে তার বাসায় গিয়েছিলেন তিনি। রাত ১১টার দিকে ফেরার সময় অতর্কিতে হামলা হয় তার গাড়িবহরে। তবে তিনি অক্ষত ছিলেন। এ ঘটনায় পর দিন মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। পরে ১০ আগস্ট অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশের পশ্চিম বিভাগকে। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার

অভিযোগ আনা হয়। তবে এতে ঘটনার সময় রাষ্ট্রদূতকে নিরাপত্তা দিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। তখন তার কাছে বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িতে হামলার ঘটনার সর্বশেষ অগ্রগতি জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

উপসচিব মল্লিকা খাতুনের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাসেল, ফিরোজ, কাজল, রাজু, সাজু, আকাশকেও শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপ্লব নামে আরও একজনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পুলিশ অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে, যথাসময়ে মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

তবে তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, ‘সরকার যে ঘটনার বিচার চায়, সেই ঘটনার বিচার হয়। যেটি চায় না, তার বিচার হয় না। না হয় এক বছরেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, এমনকি আটকও করা হয়নি।’ খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

advertisement