advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এনআরসি : সংকটের নতুন মাত্রা

তারেক শামসুর রেহমান
২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৯:২৭
advertisement

ভারত যখন কাশ্মীর নিয়ে বড় ধরনের সংকটে আছে ঠিক তখনই আসামে এনআরসি তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে ভারতের গণতন্ত্র এক অনিশ্চিত পথে যাত্রা শুরু করল। ভারতীয় নাগরিক নন, এমন তালিকা প্রকাশ করায় ১৯ লাখ মানুষÑ যাদের অধিকাংশই বাঙালি, প্রত্যেকেই এখন দেশহীন। তাদের কোনো দেশ নেই! অথচ বছরের পর বছর তারা সেখানে বসবাস করে আসছেন। তাদের অনেকেরই জন্ম আসামে। কিন্তু এখন তারা দেশহীন হয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়লেন। এই সিদ্ধান্ত খোদ আসামেই বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য এর সমালোচনা করেছেন।

আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুন গগৈ এনআরসির প্রক্রিয়াকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে এই অঞ্চলের জন্য বিজেপির অন্যতম স্ট্র্যাটেজিক হিসেবে পরিচিত ও আসাম সরকারের একজন মন্ত্রী হেমন্ত শর্মাও এর সমালোচনা করেছেন। তার মতে, এতে অনেক মানুষের আশাভঙ্গ হবে। আর দলের বিধানসভার সদস্য শীলাদিত্য দেবের মতে, এটা একটা ষড়যন্ত্র। এর মধ্য দিয়ে মুসলমানরা লাভবান হবে। বড় ধরনের সমালোচনা এসেছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের কাছ থেকে। হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তিনি পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে দেবেন না। সব মিলিয়ে আসামে নাগরিক তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে অনেক সংকটের এখন জন্ম দেবে।

এক. এনআরসির তালিকা প্রকাশ বাংলাদেশের জন্য বড় উৎকণ্ঠার কারণ। কেননা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথা অনুযায়ী তালিকায় যাদের বাস থাকবে না, তাদের ডিপোট অথবা পুশব্যাক করা হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশে জোর করে ফেরত পাঠানো হবে! লোকসভায় অমিত শাহ এ কথা বলেছেন। ফলে বাংলাদেশে আরেকটি ‘দ্বিতীয় রোহিঙ্গা’ সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। এমনিতেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের ‘বিপদ’-এর মুখে আছে। দ্বিতীয় আরেকটি বিপদ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

দুই. এনআরসি প্রকারান্তরে ভারতীয় সংবিধানের (গৃহীত নভেম্বর ১৯৪৯) চৎবধসনষব বা প্রস্তাবনার পরিপন্থী। এই চৎবধসনষব ভারতীয় সংবিধানের অংশ। ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা হয়েছেÑ যা কিনা ভারতীয় সংবিধানের মূল ভিত্তি। এগুলো হচ্ছে ন্যায়পরায়ণতা (ঔঁংঃরপব), স্বাধীনতা (খরনবৎঃু), সমতা (ঊয়ঁধষরঃু), ভ্রাতৃত্ববোধ (ঋৎধঃবৎহরঃু)। জাত, পাত, ধর্ম কাউকে আলাদা করতে পারবে না। ‘মমতা’র এটিই কথা। কিন্তু এখন এনআরসি করে ১৯ লাখ মানুষকে আলাদা করা হলো। সংবিধানে যে ভ্রাতৃত্ববোধের কথা কিংবা ন্যায়পরায়ণতার যে কথা বলা হয়েছে, এটিও এর পরিপন্থী।

তিন. এনআরসি মুসলমানবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। যদিও এটা সত্য, এই বাদপড়া নাগরিকত্বের তালিকায় অনেক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকও রয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত বিচারে এবং ঋড়ৎবরমহ ঞৎরনঁহধষ (প্রায় এক হাজার আপিল ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে)-এর মাধ্যমে হিন্দুরা তাদের নাগরিকত্ব ফেরত পেতে পারেন। কেননা লোকসভায় ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (যা ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইনের সংশোধনী ও প্রতিস্থাপিত হবে) উত্থাপিত হয়েছে, এতে হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ করে দিলেও তাতে সুনির্দিষ্টভাবে মুসলমানদের বাদ রাখা হয়েছে। এই প্রস্তাবিত সংশোধনীবলে আসামের হিন্দুরা সেখানে নাগরিকত্ব পাবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি সভাপতি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভা নির্বাচনের (২০১৯) আগে ও পরে একাধিকবার বলেছেন, হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তাই চূড়ান্ত বিচারে মুসলমানরা বড় বিপদে পড়বেন।

চার. ভারতে বিজেপি সরকার ভারতকে একটি ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে দেখতে চায়। ২০১৪ সালে ক্ষমতাসীন হয়ে নরেন্দ্র মোদি যে ‘হিন্দুত্ববাদী’ নীতির সূচনা করেছেন, এরই ফল হচ্ছে তথাকথিত এ নাগরিকপঞ্জি। এই নাগরিকপঞ্জি ১৯৮৫ সালে ত্রিপক্ষীয় যে সমঝোতা হয়েছিল (কেন্দ্র, আসাম সরকার ও আসাম ছাত্র ফেডারেশন), এরও পরিপন্থী। ওই সমঝোতায় একটি ‘স্ট্যাটাস কো’র কথা বলা হয়েছিল।

চার. কোনো কোনো সংবাদপত্রে নাগরিকপঞ্জির এই তালিকা প্রকাশকে জার্মানির নাৎজি বাহিনীর কর্মকা-ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে (ঈড়ঁহঃবৎপঁৎৎবহঃ, ৩১ আগস্ট)। হিটলারের জার্মানিতে ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ওই সময় জার্মানিতে বসবাসরত ৬০ লাখ ইহুদি নাগরিককে বিভিন্ন কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালে পোল্যান্ড সফরের সময় আউসভিজে (অঁংপযরিঃু) অবস্থিত ওই সময়ের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পটি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। এখন আসামের পরিস্থিতি কি সেদিকেই যাচ্ছে? সেখানে ইতোমধ্যে শত শত ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে এবং আপিল কোর্ট যাদের চূড়ান্ত নাগরিকত্ব খারিজ করবেন, তাদের নিয়ে যাওয়া হবে ওইসব ক্যাম্পে। তাদের ঠেলে দেওয়া হবে বাংলাদেশে। আর বাংলাদেশ যদি তাদের গ্রহণ না করে, তা হলে তাদের থাকতে হবে বাকি জীবন ওইসব ক্যাম্পেই।

পাঁচ. এনআরসিকে বাংলাদেশ বলছে, ‘এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু।’ ভারতের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয় শংকরের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের সময় (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বক্তব্যটি দিয়েছিলেন। এই বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। যেখানে প্রকাশ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে, আসামে এনআরসিতে বাদপড়া নাগরিকরা বাংলাদেশি, সেখানে এনআরসির ইস্যুটি আর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না, বাংলাদেশ এর সঙ্গে জড়িয়ে যায়।

ছয়. ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পররাষ্ট্রনীতির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঘবরমযনড়ঁৎযড়ড়ফ ঋরৎংঃ অর্থাৎ প্রতিবেশীরা আগে। অর্থাৎ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অগ্রাধিকার দেয় বেশি। মোদির ঢাকা সফরের সময় (জুন ২০১৫) মোদি নিজে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেশি। কিন্তু এনআরসির তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে এক অবিশ্বাসের জন্ম হতে পারে। এতে মোদি প্রস্তাবিত উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা ইইওঘ (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারতের সাত বোন রাজ্য-নেপাল) এখন প্রশ্নের মুখে থাকবে। এর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। এ তালিকাটা প্রকাশিত হলো এমন এক সময়Ñ যখন অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকার বারবার বলে আসছে, দুই দেশের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবুল মোমেনের কথা অনুযায়ী এই সম্পর্ক ‘স্বামী-স্ত্রীর মতো’ (বাংলাদেশ টুডে, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। এই যখন ‘সম্পর্ক’, তখন এনআরসির তালিকা প্রকাশ এই সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

সাত. ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন খুব নাজুক অবস্থানে রয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের এপ্রিল-জুনপ্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি শতকরা ৫ ভাগে নেমে এসেছে। অথচ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা ৭ দশমিক ২ ভাগ (আনন্দবাজার, ৩১ আগস্ট ২০১৯)। প্রবৃদ্ধির এই হার গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে। আসামে নাগরিকপঞ্জি তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি সরকার অভ্যন্তরীণ এই সংকটকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এনআরসি নিয়ে সাধারণ মানুষ তথা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যত ব্যস্ত থাকবে, অর্থনীতি তাদের কাছে গুরুত্ব পাবে কম। মোদি সরকারের লাভটা এখানেই।

আট. আসামে নাগরিকপঞ্জি প্রকাশিত হওয়ার পর বিজেপির শীর্ষ নেতারা আকার-ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি করা হবে। দিল্লির কথাও বলেছেন কেউ কেউ। পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করার যে কোনো উদ্যোগ বড় ধরনের সংঘাতের জন্ম দিতে পারে সেখানে। কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হওয়ার পর এবং সেখানে কেন্দ্রশাসিত সরকার গঠিত হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসরকার ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রশাসিত সরকার (রাজ্যপালের নেতৃত্বে) গঠিত হতে পারে। মোদি সরকার আদৌ এটি করবে কিনা, তা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু বিজেপি সরকারের পরবর্তী টার্গেট যে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচন (২০২০ সালে অনুষ্ঠেয়), তা আর কাউকে বলে দিতে হয় না।

নয়. নাগরিক তালিকা থেকে যারা বাদ পড়েছেন, তারা ৬০ থেকে ১২০ দিন সময় পাবেন আপিল করার। তার পর উচ্চ আদালত ও সুপ্রিমকোর্ট। এর মধ্য দিয়ে কয়েক নাগরিক হয়তো নাগরিকত্ব ফিরে পেতে পারেন। কিন্তু একটা বড় অংশই পাবে না। অনেক পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে মন্তব্য করেছেন, নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাড়পড়া বাঙালিদের মোদি সরকার ‘তরুপের তাস’ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। তাদের ব্যবহার করে ভারত বাংলাদেশের কাছ থেকে আরও ‘সুবিধা’ আদায় করে নিতে পারে। বলা ভালো, কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত ভারতের মনঃপূত নয়। যেমনÑ বলা যেতে পারে, বাংলাদেশ চীনের বিখ্যাত ও বহুল আলোচিত ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে। ভারত যোগ দেয়নি। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্যিক, সামরিক তথা আর্থিক সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি পাক, ভারত তা চায় না। ইতোমধ্যে সোনাদিয়ায় চীনের অর্থায়নে যে গভীর সমুদ্রবন্দরটি নির্মিত হওয়ার কথা ছিল, তা ভারতের আপত্তিতে নির্মিত হতে পারেনি। এখন এনআরসি ব্যবহার করে বিজেপি সরকার বাংাদেশ সরকারের কাছ থেকে আরও সুবিধা নেওয়ার একটি উদ্যোগ নিতে পারে।

এটা সত্য, আসামের এই নাগরিকপঞ্জি, নাগরিকদের মধ্যে বিভেদরেখা তৈরি করা, নাগরিকদের অধিকার সংকুচিত করা, ভারতের দীর্ঘদিনের যে গণতন্ত্র চর্চা- এতে বড় ধরনের আঘাত পড়ল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে ‘বেসলাইন’ ধরে যে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে, যে কোনো আন্তর্জাতিক আইন তা সমর্থন করে না। যারা দীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছেন, আসামের অর্থনীতিতে অবদান রেখেছেন- তারা তো ভারতের ‘ন্যাচারালাইজড সিটিজেন’।

সংবাদপত্রে খবর বের হয়েছে, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আহমেদ (১৯৭৪-৭৭), মুখ্যমন্ত্রী আনোয়ারা তৈমুর (১৯৮০-৮১), দুই-দুইবারের বিধানসভায় সদস্য মাওলানা আতাউর রহমান ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামও ওঠেনি নাগরিকপঞ্জিতে। মজার কাহিনি হচ্ছে, এই নাগরিকপঞ্জি তৈরির মূল টিমের যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন (আসাম-মেঘালয় থেকে আইএএস সদস্য), ওই প্রতিক হাজেলা, তিনি আসামের নাগরিকÑ তারও নাম ছিল না নাগরিকপঞ্জিতে। পরে আবেদন করে তিনি নাগরিকত্ব ফিরে পান। ফলে স্পষ্টতই এ নাগরিকপঞ্জি ত্রুটিযুক্ত। ইচ্ছায় হোক বা না হোকÑ অনেকের নাম বাদ গেছে। অনেকে পারিবারিক রেকর্ড সংরক্ষণ করে রাখতে পারেননি। অথচ তাদের সবারই ভোটার লিস্টে নাম আছে, রেশন কার্ড আছে। পরিস্থিতি এখন কোনদিকে যাবে বলা মুশকিল। কিন্তু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর আসামে ১৯ লাখ নাগরিকের নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেওয়া একটি বড় সংকটের জন্ম দেবে এখন। ভারতের ঐক্যের জন্য এটি কোনো ভালো খবর নয়।

 

য় তারেক শামসুর রেহমান

প্রফেসর ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

advertisement