advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চন্দ্রযান-২ অভিযান নিয়ে কটাক্ষ, এবার পাকিস্তানি মন্ত্রীকে পাল্টা আক্রমণ

অনলাইন ডেস্ক
৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:৩০ | আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:২৩
সতীশ রেড্ডি ও ফাওয়াদ চৌধুরী (ফাইল ছবি)
advertisement

ভারতীয় মহাকাশ যান চন্দ্রযান-২ চাঁদে অবতরণের শেষ মুহূর্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার পর থেকে লাগাতার চলছিল ল্যান্ডার বিক্রমের খোঁজ। অবশেষে গতকাল রোববার বিক্রমকে খুঁজে পাওয়ার খবর জানিয়েছেন ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) চেয়ারম্যান কে শিবান।

এর পরপরই পাকিস্তানের মন্ত্রীকে বিঁধলেন ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন (ডিআরডিও) প্রধান সতীশ রেড্ডি। পাক মন্ত্রীকে কটাক্ষ করে ডিআরডিও প্রধান বলেন, ‘যারা এই ধরনের কোনো কাজ কখনো করেনি, তারা এই অভিযান কতটা জটিল তা বুঝতেই পারবে না। ফলে তারা এর প্রশংসাও করতে পারবে না।’

সতীশ রেড্ডি আরও বলেন, ‘ইসরোর বিজ্ঞানীরা কঠোর পরিশ্রম করে চাঁদের মাটিতে বিক্রমকে খুঁজে বের করেছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী ইসরো চেয়ারম্যানকে উৎসাহ দিয়েছেন। তার এই কাজ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

এর আগে চন্দ্রযান-২ অভিযানের সময় চাঁদের মাটি থেকে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার ওপরে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ইসরোর। ক্র্যাশ ল্যান্ডিংয়ের সময়ে এই ধরনের ঘটনার কথা বিশ্বকে জানিয়ে দেয় ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তার পরেই উল্লাসে ফেটে পড়েন পাক বিজ্ঞানমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।

সে সময় একের পর এক টু্ইট করে ভারতকে নিশানা করতে থাকেন পাক বিজ্ঞানমন্ত্রী। টুইটারে তিনি লিখেন, ‘অঅঅ… যে কাজটা পারো না, সেটা করারই দরকার নেই। প্রিয় এন্ডিয়া।’ ভারতকে অপমান করার জন্য ইন্ডিয়া বানানটি ভুল নয়, সচেতনভাবে লিখেছেন বলেও মনে করছেন অনেকেই।

এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও সমালোচনা করতে ছাড়েননি এ পাক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসরোয় মোদি যেভাবে বক্তৃতা করছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল তিনি নিজেই একজন মহাকাশচারী। ভারতের মতো এক গরিব দেশের ৯০০ কোটি টাকা খরচ করার অর্থ কি?’

তবে ভারতের চন্দ্রযান-২ অভিযানের প্রশংসা করেন সেদেশের একমাত্র মহিলা মহাকাশচারী নামিরা সালিম। চন্দ্রযান-২ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডার বিক্রমের সফট ল্যান্ডিংয়ের ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার জন্য আমি ভারত আর ইসরোকে শুভেচ্ছা জানাই।’

নামিরা আরও জানান, এই অভিযান মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে সত্যিই একটা বিরাট পদক্ষেপ। এই অভিযানে ভারত বা দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়াই নয়, লাভবান হবে গোটা বিশ্ব।

উল্লেখ্য, রোববার চন্দ্রযান-২-এর অর্বিটারের পাঠানো থার্মাল ছবি থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠেই বিক্রমের সন্ধান পেয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। যদিও বিক্রমের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি বলে জানা গেছে।

advertisement