advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ফেরত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৩
advertisement

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে দ্বিতীয় দফায় করা আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিনের বেঞ্চ আবেদনটি ফেরত দিয়ে তা কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘যেহেতু এ বিষয়টি এর আগে হাইকোর্টের একটি জ্যেষ্ঠ বেঞ্চে শুনানি হয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেহেতু সেটি

এখন আপিল বিভাগে নিয়ে যেতে পারেন।’ খালেদার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন তখন বলেন, ‘বিষয়টি এর আগে হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে শুনানি হলেও আপনাদের শুনতে কোনো বাধা নেই।’ এর পরও আদালত আবেদনের ওপর শুনানিতে রাজি না হওয়ায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী বলেন, ‘তাহলে জামিন আবেদনটি আমরা ফেরত (টেক ব্যাক) নিচ্ছি।’

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান অবশ্য শুনানির প্রস্তুতি নিয়েই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আমাদের সময়কে বলেন, ‘শুনানির জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম। অ্যাটর্নি জেনারেলও প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু কোর্ট নিজেই সন্তুষ্ট হতে পরেননি যে, তারা নতুন করে একটা মামলা আবার শুনতে পারবে, যেখানে একবার খারিজ হয়েছে অন মেরিট। হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে যেতে পারেন। সেই একই আবেদন আবার নতুন করে হাইকোর্ট শুনতে পারেন না। এ প্রশ্নে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা রুলসটা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে আদালত আবেদন ফেরত দিয়েছেন।’

আবেদন আবার অন্য কোনো বেঞ্চে তোলা হবে কিনা জানতে চাইলে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’ এর আগে ৩১ জুলাই এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ সরাসরি খারিজ করে দেন। পরে গত ৩ সেপ্টেম্বর আবারও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক। রায়ে খালেদা জিয়াকে সাত বছর কারাদ- ও ১০ লাখ টাকা অর্থদ- করা হয়। বিচারিক আদালতের দেওয়া এ সাজা বাতিল ও খালাস চেয়ে ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করেন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে মামলায় খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে দেওয়া জরিমানার আদেশ স্থগিত করে মামলাটির নথি তলব করেন হাইকোর্ট। সে অনুযায়ী বিচারিক আদালত থেকে ২০ জুন মামলার নথি পাঠানো হয়। এর পরই খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন তার আইনজীবীরা। পরে শুনানি নিয়ে গত ৩১ জুলাই তা সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

advertisement