advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে সরকারকে পরাস্ত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৩
advertisement

মুক্ত থাকলে সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেনÑ শুধু এই কারণে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগমীর। তিনি বলেনÑ আসুন, দল-মত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল মিলে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য, স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে ঐক্যবদ্ধ হই। সামনের দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন তৈরি করে এই দানব সরকারকে পরাজিত করতে সক্ষম হব। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বেলা ১১টায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সারাদেশের জেলা ও মহানগরে মানববন্ধন করবে দলটি। সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশকে বিপদগ্রস্ত করার জন্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে। নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। আরেকদিকে আসামের মন্ত্রীরা হুমকি দিচ্ছেন, অনুপ্রবেশকারীদের ঠেলে বাংলাদেশে পাঠাবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, স্বাধীনতার পর কোনো বাংলাদেশি ভারতে যায়নি।

মানববন্ধনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, সরকারের প্রভাবের কারণে আদালত মুক্ত মনে কাজ করতে পারছেন না। এ কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে

না। একমাত্র রাজপথেই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা তার মুক্তি অর্জন করতে পারব।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, আমরা যদি মনে করি খালেদা জিয়ার মুক্তিতে সরকার একমাত্র বাধা তা হলে সরকারের পতনের আন্দোলনই আগে করব। তার পর খালেদা জিয়া স্বাভাবিকভাবেই মুক্ত হয়ে আসবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান।

কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও শহিদুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শিরিন সুলতানা, এবিএম মোশাররফ হোসেন, কাজী আবুল বাশার, সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আফরোজা আব্বাস, শফিউল বারী বাবু প্রমুখ। এ ছাড়া অংশ নেন ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, আমিনুল হক, আবদুল আউয়াল খান, কাদের গনি চৌধুরী, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, সুলতানা আহমেদ, নিপুন রায় চৌধুরী, আকরামুল হাসান প্রমুখ।

advertisement