advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জর্ডান উপত্যকা চান নেতানিয়াহু

আরব বিশ্বের নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৩
advertisement

এবার জর্ডান উপত্যকা ও মৃত সাগরের (ডেড সি) উত্তরাঞ্চলকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করতে চান দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে সাধারণ নির্বাচনে তিনি যদি জয়ী হন তা হলে তিনি এ দুই অঞ্চলকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করবেন। নেতানিয়াহুর এ ঘোষণার নিন্দা জানিয়েছে আরব বিশ্বের নেতারা। প্রসঙ্গত জর্ডান উপত্যকা ও ডেড সি-র উত্তরাংশ পশ্চিম তীরের এক-তৃতীয়াংশ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। খবর বিবিসি।

নির্বাচনী সমাবেশে তার দেওয়া ভাষণ ইসরায়েলের প্রধান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। ওই ভাষণেই এ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন নেতানিয়াহু। এলাকাগুলোকে ‘ইসরায়েলের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ আমি আমার পরিকল্পনা ঘোষণা করছি, নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর, জর্ডান উপত্যকা ও ডেড সি-র উত্তরাংশে ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব কায়েম করতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, এটি করার জন্য আমি আপনাদের কাছ থেকে, ইসরায়েলের নাগরিকদের কাছ থেকে, পরিষ্কার রায় পেলে তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নিতে পারব।’

এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জর্ডান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের কর্মকর্তারা এ পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা করেছেন। একে ‘আগ্রাসন’ অভিহিত করে এটিকে ‘বিপজ্জনক পদক্ষেপ’ বলে নিন্দা করেছে আরব লীগ। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, নেতানিয়াহু এ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে গেলে ‘ইসরায়েলে সঙ্গে স্বাক্ষরিত সব চুক্তি ও ওইসব চুক্তির বাধ্যবাধকতার সমাপ্তি ঘটবে’। এ পরিস্থিতিতে ৫৭ জাতির অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসির) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি ডেকেছে সৌদি আরব।

১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীর, গাজা ও সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয় ইসরায়েল। ১৯৮০ সালে পূর্ব জেরুজালেম, ১৯৮১ সালে গোলান মালভূমি নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়, কিন্তু পশ্চিম তীরকে অন্তর্ভুক্ত করা থেকে বিরত থাকে দেশটি।

advertisement
Evall
advertisement