advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আজ শাহ আবদুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী

চপল মাহমুদ
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

‘মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়নারে, তোমারে পুষিলাম কত আদরে’, ‘সখী কুঞ্জ সাজাও গো’সহ অসংখ্য গানের রচয়িতা ভাটি বাংলার বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। একুশে পদকপ্রাপ্ত এই বাউল ১৯১৬ সালের এই দিনে সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লিখে যাওয়া অসংখ্য গান আজও ভক্তদের মনে নাড়া দেয়। আবদুল করিম বলেছিলেন জীবনলীলা সাঙ্গ হলে শুয়ে থাকব মায়ের কোলে তাপ অনুতাপ ভুলে। ঠিক এমনি করে ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সিলেটের নূর জাহান ক্লিনিকে ৯১ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে বিদায় নিয়েছিলেন খ্যাতিমান এই বাউল সম্রাট। আজীবন সম্মাননায় ভূষিত সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত এই বাউল সম্রাট আজীবন দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন। তার লেখা গান কথা বলত সুখ প্রেম ভালোবাসার পাশাপাশি কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।

শাহ আবদুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজ গ্রাম দিরাই উপজেলায় উজানধলে ক্ষুদ্র আকারে অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে। জোহরের নামাজের পর মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

শাহ আবদুল করিমের জন্মের সময় তখনকার সমাজ, পরিবেশ, পরিস্থিতি ইংরেজদের আনুকূল্যে বেড়ে উঠেছেন। আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন মারা যান তখন শাহ আবদুল করিমের বয়স ২৫। সে সময়টায় বেঁচেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। শাহ আবদুল করিম বেড়ে ওঠার সময় লোকসাহিত্যের একটি উজ্জ্বল পরিবেশ ছিল।

তার জন্ম এক দিনমজুর পরিবারে।

advertisement