advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নরসিংদীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আমাদের সময় ডেস্ক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

নরসিংদীতে ডিশ ব্যবসার বিরোধ নিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

নরসিংদী : নরসিংদীতে ডিশ ব্যবসার বিরোধ নিয়ে রুহুল আমিন (২২) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শহরের পূর্ব ব্রহ্মন্দী মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রহুল আমিন একই মহল্লার বিল্লাল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, রুহুল আমিন পেশায় একজন রঙ ব্যবসায়ী। তার এলাকায় ডিশের সংযোগের ব্যবসা করেন স্থানীয় সারোয়ার হোসেন। সম্প্রতি ডিশ সংযোগের কর্মচারী মনির হোসেনকে রুহুল আমিন এলাকার ডিশ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ তার কাছে দেওয়ার জন্য বলে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল সারোয়ারের ছেলে তানজিল, কর্মচারী মনির, স্থানীয় ছোটন ও হৃদয় নামের চারজন রুহুল আমিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জবা টেক্সটাইলের পাশে নেয়। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রুহুল আমিনকে গুরুতর আহতাবস্থায় নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এমএন মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রুহুল আমিন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছে। তার বুকে, পিঠে, পাঁজরে মোট ১০-১২টি কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে আনার আগেই সে মারা গেছে।

নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান বলেন, কী কারণে হত্যা করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নই। মামলা দায়েরের পর বলা যাবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : বাঞ্ছারামপুরে প্রতিপক্ষের গুলিতে সুমন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় সুমন মিয়ার সঙ্গে থাকা আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেনÑ পাইকার চর গ্রামের আবদুল আউয়াল (৬০), কামরুজ্জামান (৩৭), জালাল মিয়া (৪০), মনির হোসেন (৩৪) ও আবদুল করিম (৩৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে সুমন মিয়াসহ আহতরা উপজেলা পাইকারচর গ্রামের দানা মিয়ার বাড়িতে তাস খেলছিলেন। রাত আনুমানিক ১২টায় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ঘিরে ফেলে গুলি করে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যায়। তাদের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে দ্রুত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে রেফার করেন।

তাতুয়াকান্দি গ্রামের অলি মিয়া ও পাশর্^বর্তী পাইকারচর গ্রামের জব্বর মিয়া এবং তাতুয়াকান্দি গ্রামের ইকবাল ও পাইকারচর গ্রামের জয়নাল মিয়ার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। হতাহতরা অলি মিয়া ও জব্বর মিয়া গ্রুপের লোক।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী জানান, এ এসপি সার্কেল মো. মেহেদী হাসান এবং আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

advertisement