advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেন ধান কেনা হবে না : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৩১
advertisement

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেন ধান ক্রয় করা হবে নাÑ তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কৃষি সচিব, খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় বলা হয়েছেÑ মৌসুমে উৎপাদিত ধান ও গম এবং বৈধ ও সচল চালকল মালিকদের নিকট থেকে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মৌসুমের ধান থেকে ছাঁটাই করা চাল সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সরবরাহ করা মৌসুমে আবাদকৃত জমির পরিমাণ এবং

সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণসহ ডাটাবেজ থেকে প্রযোজনীয়সংখ্যক প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করবে। উপজেলা কমিটি প্রত্যেকের প্রদেয় খাদ্যশস্যের পরিমাণসহ নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংগ্রহকেন্দ্রে প্রেরণ করবে। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও গম ক্রয় করা হবে। সংগ্রহকেন্দ্রের কর্মকর্তা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের শনাক্ত করবেন। তালিকাবহির্ভূত কারও কাছ থেকে ধান ও গম ক্রয় করা যাবে না।

কিন্তু এই নীতিমালার ব্যতয় ঘটিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছ থেকে তা কেনা হচ্ছে। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ।

রিটে বলা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোক বা স্থানীয় সরকারি দলের লোকজনই আসলে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের সুযোগ পান। আর তারা কেউই প্রান্তিক কৃষক নন। ক্ষেত্রবিশেষে তারা গরিব কৃষকের ধান কম দামে কিনে বেশি দামে সরকারি গুদামে সরবরাহ করে থাকেন। ফলে ঋণ করে ধান উৎপাদন করে এখন কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. ফিরোজ আলম। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

advertisement