advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় থ্রিজি ফোরজি বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৪০
advertisement

রোহিঙ্গারা যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা না পায় সেজন্য গত বছরের ৯ অক্টোবর মোবাইল অপারেটরগুলোকে নির্দেশনা পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কিন্তু ওই নির্দেশনা কার্যকর না হওয়ায় প্রায় এক বছর পর নিয়ন্ত্রণক সংস্থার পক্ষ থেকে অপারেটরগুলোকে আবারও চিঠি দেওয়া হয়। গত ১ সেপ্টেম্বর পাঠানো এই চিঠিতে আগের চিঠির সূত্রও উল্লেখিত রয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৭ দিনের মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় টেলিযোগাযোগ সুবিধা বন্ধে কার্যকরী

পদক্ষেপ নিতে বলা হয় অপারেটরদের। এর পর বিটিআরসি ক্যাম্প বিকাল ৫টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত থ্রি-জি ও ফোর-জি সেবা বন্ধের নির্দেশনা জারি করে। এতেও কাজ না হওয়ায় ক্যাম্প এলাকায় থ্রি-জি ও ফোর-জি সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিটিআরসি। নির্দেশনা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার থেকে ওই সেবা বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখনো চালু রয়েছে টু-জি সেবা।

পাশাপাশি রোহিঙ্গারা যেন নতুন করে সিম কার্ড নিতে না পারে সেজন্য ক্যাম্প এলাকায় নতুন সিম বিক্রি বন্ধের বিষয়েও অপারেটরগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি। একই সঙ্গে বন্ধ করতে বলা হয়েছে রিচার্জ ও প্রিপেইড কার্ড বিক্রিও।

এদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে ক্যাম্প এলাকায় হাই ফ্রিকোয়েন্সি জ্যামার বসানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিটিআরসির একাধিক তরঙ্গ প্রকৌশলী। তারা জানান, জ্যামার সচল রাখতে বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রয়োজন। যা জেনারেটরের মাধ্যমে বিকল্পভাবে সরবরাহ করা যেতে পারে। তবে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ব্যবস্থা সচল রাখা কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণে আমরা গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এর জন্য একাধিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপারেটরদের তা বাস্তবায়নে প্রদান করা হয়েছে বিভিন্ন নির্দেশনা।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, অপারেটরগুলো সর্বশেষ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছে কিনা তা দেখতে আগামীকাল শুক্রবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় যাবেন বিটিআরসি কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরাও তাদের সঙ্গে থাকবেন।

advertisement