advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিটিআরসির দাবির পাল্টায় গ্রামীণ ও রবির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৪০
advertisement

নিরীক্ষা আপত্তির ‘পাওনা’ টাকা আদায়ে বিটিআরসির দাবিকে ‘অযৌক্তিক ও ত্রুটিপূর্ণ’ বর্ণনা করে মীমাংসার জন্য আলাদাভাবে মামলা করেছে দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি। ঢাকার দেওয়ানি আদালতে ২৫ আগস্ট রবি এবং পরদিন গ্রামীণফোন মামলা করে।

মামলার বিষয়ে গ্রামীণফোনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যে অডিটের ভিত্তিতে বিটিআরসি অযৌক্তিক অর্থ দাবি করছেÑ সেটার প্রক্রিয়া, কার্যপ্রণালি এবং ফল নিয়ে আমরা বরাবরই আপত্তি জানিয়ে এসেছি। ত্রুটিপূর্ণ ওই অডিট ঘিরে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে আমরা বারবার সালিশী প্রক্রিয়াসহ স্বচ্ছ গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। তাতে সাড়া না পেয়ে হতাশা

প্রকাশ করে গ্রামীণফোন বলেছে, দুঃখজনকভাবে আমাদের সব প্রচেষ্টা বিটিআরসি অগ্রাহ্য করেছে এবং এ অযৌক্তিক অডিট দাবি আদায়ে অন্যায্যভাবে বল প্রয়োগ করেই যাচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ আগস্ট গ্রামীণফোন দেওয়ানি মামলা করতে বাধ্য হয়েছে।

আর রবি আজিয়াটা লিমিটেডের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, বিটিআরসির নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উত্থাপিত প্রশ্নবিদ্ধ আপত্তিগুলো আলাপ-আলোচনা এবং বিকল্প সালিশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিটিআরসি আমাদের সে প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ নিরীক্ষা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দাবিকৃত অর্থ আদায়ে আইনবহির্ভূত পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আদালতে যাওয়া ছাড়া রবির বিকল্প ছিল না।

মামলার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত।

বিটিআরসির দাবি, গ্রামীণফোনের কাছে নিরীক্ষা আপত্তির দাবির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে তাদের। টাকা শোধে বিলম্বের মাশুল ও সুদও ধরা হয়েছে এর মধ্যে।

প্রথম ধাপে ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দিয়ে এবং দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন ধরনের সেবার অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র দেওয়া বন্ধ রেখেও কাজ না হওয়ায় গত ৫ সেপ্টেম্বর গ্রামীণফোন এবং রবির টুজি ও থ্রিজি সেবার লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি।

advertisement