advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সার ও বীজ বিতরণে এখন ছোটখাটো অনিয়ম দুর্নীতি হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৭
advertisement

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক সংসদে জানিয়েছেন, বর্তমানে সার ও বীজ বিতরণে মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী এখন ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি করতে পারে। তবে সারাদেশে স্বাভাবিকভাবেই সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, ফসল উৎপাদনে এখন সারা পৃথিবীতে বিস্ময়। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবু জাহিরের প্রশ্নে মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির দুই মেয়াদে সার নিয়ে অমানবিক দুর্নীতি হয়েছে। সারের দাবি জানালে ১৮ কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার নিয়ে বিএনপির অস্বাভাবিক দুর্নীতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে গিয়েছিল। ’৯৫ সালে সারের দাবি জানালে ১৮ কৃষককে হত্যা করা হয়। এর পর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে তাদের ওই পাঁচ বছরই সারের সংকট ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৭ জানুয়ারি প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সারের দাম কমানোর এজেন্ডা এনেছিলেন। তখন সারের দাম কমানো হয়। বিএনপির আমলে ৭২ টাকার টিএসপি কমিয়ে ২২ টাকা, ৯০ টাকার ডিএসপি কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়। ৬০ টাকার পটাশ কমিয়ে ১৫ টাকা করা হয়। এখনো সেই ১৫ টাকায়ই সার বিক্রি হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যারা সার বিতরণের সঙ্গে জড়িত, তারা যথেষ্ট সতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, একশ্রেণির ব্যবসায়ী প্রতারণা করে। আমি বলব, প্রতারণা অনেক কমে গেছে। ফলে কৃষক ঠিকমতো সার ও বীজ পাচ্ছে, উৎপাদন বেড়েছে। গত মৌসুমে আমাদের ধান উৎপাদনের টার্গেট ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ। কিন্তু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ টন।

ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে, ব্যবসায়ীরা মুনাফার লোভে এটি করতে পারে। তবে সারাদেশে স্বাভাবিকভাবেই সার ও বীজ বিতরণ হচ্ছে।

সরকারি দলের সদস্য আবদুল মান্নানের সম্পূরক প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধান কাটা ও ধান লাগানোর জন্য মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার উৎস্য মূল্য ভর্তুকি দেবে। এ ব্যাপারে খুব শিগগির গেজেট প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, এখন উভয় সংকট হয়ে গেছে। আগে উৎপাদন কম হলে দুর্ভিক্ষ হতো, এখন উৎপাদন বেশি হওয়ায় তা সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এবার প্রায় ৪ লাখ টন ধান সরাসরি কেনা হয়েছে। চাষিদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা হবে।

advertisement