advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পুঁজিবাজারে অবিশ্বাস দূর করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৪
advertisement

পুঁজিবাজার নিয়ে আরও কিছু কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতি যতটা গতিশীল, পুঁজিবাজারকেও তত গতিশীল হিসেবে দেখতে চাই। এ বাজারে কয়েকটি কারণে যে বিশ্বাস-অবিশ্বাস আছে, এগুলো দূর করতে হবে। যে কোনো মূল্যে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন করতেই হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘পুঁজিবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে সমতবিনিময়’ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেমসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

পুঁজিবাজারে অপরাধ করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে পুঁজিবাজারে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এ বাজারে শতভাগ আস্থা অর্জন করতে চাই। এখন থেকে আর কেউ অপবাদ দিতে পারবেন না যে, আমরা ন্যায়বিচার করি না বা আমরা কারও প্রতি দুর্বল। যারা পুঁজিবাজারে দাম বাড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করবে তারা ছাড় পাবে না।

সরকারি কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি শেয়ারের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় দিতে হবে। নতুন যেসব কোম্পানি হচ্ছে সেগুলোকেও পুঁজিবাজারে আসার শর্ত দেওয়া হবে।

২০০৫ সাল থেকে সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার পুঁজিবাজারে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো কোনো সরকারই আনতে পারেনি। এ জন্য আমলারা দায়ী কিনা- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগে যা হয়েছে তা তো আমি বদলাতে পারব না। তবে এগুলো আসবে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন সরকারি কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসুক।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার যাতে অতিমূল্যায়িত না হয় সে জন্য কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, কমিটি ঘুরে ঘুরে অতিমূল্যায়িত বা অবমূল্যায়িতের বিষয়গুলো দেখবে। বছরজুড়েই কমিটি এ কাজ করবে। কমিটি তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর কারখানা চালু আছে না বন্ধ হয়ে গেছে কিনা তাও দেখবে। কোম্পানিগুলোর স্বাস্থ্য কতটা ভালো এটিও যাচাই করবে কমিটি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি ভালো কোম্পানিগুলোকে দ্রুত তালিকাভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের যে অভাব রয়েছে, তা দূর করতে হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পুঁজিবাজারকে এ অবস্থায় চলতে দেওয়া যায় না। এর উন্নতি করতে হবে। প্রয়োজন হলে এর চেয়ে বেশি ট্যাক্স সুবিধা দেওয়া হবে। বর্তমানে আমরা যে ট্যাক্স সুবিধা দিয়েছি, তা যথেষ্ট ভালো।

advertisement