advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নির্বাচন কর্মকর্তাদের সুযোগ নেই

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৪
advertisement

রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় সার্ভারে যুক্ত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। নির্বাচন কর্মকর্তারা খুবই সতর্কÑ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কিছু রোহিঙ্গাকে শনাক্তও করেছে নির্বাচন অফিস।

কোনো নির্বাচন

কর্মকর্তা রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় আনবেন না। জন্ম নিবন্ধনসহ অনেক কিছু দেখে ভোটার করা হয়। তাদের সেই সুযোগ নেই। গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

কবিতা খানম সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের হাতে যাতে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র না পৌঁছে, সে ব্যাপারে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, ডকুমেন্টের ভিত্তিতে অনেক সময় রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করা যায় না। ভোটার হতে আগ্রহীদের সঙ্গে সামনাসামনি যদি কথা বলা যায়, তবে বাংলাদেশি কিনা সেটি শনাক্ত করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) নেওয়া আছে। সেই কপি আমরা নিয়ে এসেছি। নির্বাচন কমিশনেও বায়োমেট্রিক নিচ্ছি। ভোটার তালিকা করার আগে চট্টগ্রামের বিশেষ এলাকার ক্রসম্যাচে যদি মিলে যায়, তা হলে তারা শনাক্ত হয়ে যাবে। রোহিঙ্গা যদি তালিকাভুক্ত হয়েও থাকে, তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশনা দিয়েছি।

২০১৪ সালে চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসের ল্যাপটপ হারানোর পর সেই ল্যাপটপের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জাতীয় সার্ভারে যুক্ত করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। ল্যাপটপ হারানোর পর মামলা হয়েছে। তদন্ত হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের তদন্তের মাধ্যমে যদি দেখা যায় কেউ জড়িত তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় অ্যাকশন হবে। বাইরের কেউ হলে ফৌজদারি ব্যবস্থা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ২১ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা।

advertisement