advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গারা ভোটার : ডবলমুরিং নির্বাচন অফিসের পিয়ন ফাঁসছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১৯
ছবি : রয়টার্স
advertisement

রোহিঙ্গাদের ভোটার করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন চট্টগ্রামের ডবলমুরিং উপজেলা নির্বাচন অফিসের পিয়ন জয়নাল আবেদিন। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ছাড়া কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ভোটার করার অভিযোগে দুই দালালকে আটক করা হয়েছে। গতকাল সোমবার নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান এ তথ্য জানান।

মোখলেছুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের ডবলমুরিং উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মচারী জয়নাল আবেদিন রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অপচেষ্টায় জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে এসেছে। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি বিভাগীয় মামলার ব্যবস্থা নিচ্ছি। ইসির কেউ এসব কাজে জড়িয়ে পড়বেÑ এটি আমাদের কাম্য নয়।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেন, লাকী বেগম নামের একজন স্মার্টকার্ড আনতে গেলে মূল সার্ভার থেকে ধরা পড়ে তার এনআইডি সঠিক নয়। জিজ্ঞাসাবাদে চিহ্নিত হয়েছে- তাকে বৈধ এনআইডি দেওয়া হয়নি। তাই তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। তারপর আমরা

তদন্ত কমিটি গঠন করি। তাদের মাধ্যমে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়েছে কিনা, এসব দেখি। এতে ৪৬ ব্যক্তির ডাটা অসম্পূর্ণ পাওয়া যায়। কারও ফিঙ্গার প্রিন্ট ঠিকমতো নেই, কারও ফরম সঠিকভাবে আপলোড করা হয়নি। এটি আমরা চিহ্নিত করেছি।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ৩২টি এলাকাকে আমরা বিশেষ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছি। বিশেষ এলাকার জন্য বিশেষ ফরম পূরণ করা হয় এবং সার্ভারে তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য বিশেষ কমিটির সুপারিশের প্রয়োজন পড়ে। উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলায় জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক করে এসব বিশেষ কমিটি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এ অপচেষ্টার সঙ্গে আমরা কক্সবাজারে দুই দালালের সম্পৃক্ততা পাই। তাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া আমাদের একজন পিয়নও জড়িত।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম আরও বলেন, এটা অপচেষ্টা। এখনো কেউ ভোটার হতে পারেনি। চেষ্টা তো করছে। কিন্তু সফল হতে পারবে না। ৪৬ জনের কেউ এনআইডি পায়নি। আমরা স্বচ্ছ ভোটার তালিকার জন্য বদ্ধপরিকর। যে স্ট্যাটাসের হোক, যে সংগঠনের হোকÑ অপচেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে অবস্থান করা রোঙ্গিাদের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আসা ১১ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গার আঙুলের ছাপ ও তথ্য নিয়ে রোহিঙ্গা সার্ভার প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন কেউ চাইলেই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না। বিভিন্ন মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বা এনআইডি পাওয়ার যে তথ্য এসেছেÑ তারা চেষ্টা করেছে, কিন্তু ভোটার হতে পারেনি।

advertisement