advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পিরোজপুরে দলবেঁধে গৃহকর্মী ধর্ষণ

মঠবাড়িয়া ও মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৪
advertisement

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় এক গৃহকর্মীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষণের শিকার গৃহকর্মী গত রবিবার তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করে। আসামিরা হচ্ছেÑ উপজেলার দাউদখালী গ্রামের আফজাল খানের ছেলে সুমন খান, ছালাম হাওলাদারের ছেলে ইমরান হাওলাদার ও জিয়াম হাওলাদারের ছেলে রাজু হাওলাদার। মঠবাড়িয়া থানার ওসি সৈয়দ আব্দুল্লাহ গতকাল এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এদিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সদ্যবিবাহিতা এক সংখ্যালঘু গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে ওই নারী মোহনগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ বিকালেই উপজেলার করাচাপুর গ্রাম থেকে ধর্ষক হাইরুলকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলা সূত্র জানায়, মঠবাড়িয়ার দাউদখালী গ্রামের ওই মেয়েটি পাশের দেবত্র গ্রামের একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ

করেন। আসামিরা প্রায়ই যাতায়াতের পথে তাকে উত্ত্যক্ত করত। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে দেবত্র গ্রামে যাওয়ার সময় আসামিরা মেয়েটিকে একটি সরকারি ক্লিনিকের ছাদের ওপর নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় এক লোক ঘটনা দেখে ফেললে আসামিরা পালিয়ে যায়।

ওসি আরও জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে পিরোজপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলা সদর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরের ভাটিয়া গ্রামে গত শনিবার গভীর রাতে ধর্ষণের শিকার হন ওই নববধূ। ঘটনার রাতে তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। এ সুযোগে করাচাপুর গ্রামের আব্দুর রাশিদের ছেলে এক সন্তানের জনক হাইরুল ইসলাম কৌশলে নববধূর ঘরে প্রবেশ করে গলায় ছোরা ধরে ধর্ষণ করে। নববধূর স্বামী অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে তার স্ত্রীকে উক্ত্যক্ত করত হাইরুল। পুলিশ সূত্র আরও জানায়, মামলা দায়েরের পর হাইরুল বাড়ি থেকে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

advertisement