advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমরাই আমাদের গ্রহটাকে নষ্ট করছি : শীর্ষেন্দু

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৪
advertisement

মূর্খ কালীদাস যেমন যে ডালে বসেছিলেন সেই ডালই কাটছিলেন, তেমনি আমরাই আমাদের গ্রহটাকে নষ্ট করে ফেলছি। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার অন্তঃসারশূূন্যতা নিয়ে এমন অকপট উচ্চারণ করেছেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। গতকাল সকালে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বাতিঘরে ‘আমার জীবন, আমার রচনা’ শিরোনামে পাঠকের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

‘পার্থিব’, ‘মানবজমিন’, ‘দূরবিন’, ‘যাও পাখি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় উপন্যাসের ¯্র্রষ্টা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শোনালেন তার শিল্পসাধনার কথা। শোনালেন বাংলাদেশ নিয়ে তার ভালোবাসা আর অবিরাম লিখে চলার গল্প। দিলেন পাঠকের নানা প্রশ্নের উত্তর।

নতুন প্রজন্ম নিয়ে এই লেখক বলেন, যখন নতুন প্রজন্মের পাঠক এলো তখন যে গল্পগুলো আগেকার পাঠকরা পড়ত, তা থেকে বের হলাম। মাথাটা একদম সাদা। কোনো প্লট নেই, কোনো গল্প নেই। একটা লাইন ভাবতে শুরু করি। একটা জোরালো লাইন যদি মাথায় আসে, তা হলে বাকিটা হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের লেখকদের প্রশংসার পাশাপাশি এখানে তার প্রিয় লেখকদের কথাও বললেন শীর্ষেন্দু। তিনি বলেন, একটা সময় হুমায়ুন আহমেদ ছিল, এখন ইমদাদুল হক মিলনসহ আরও অনেককেই খুব ভালো লাগে। কিন্তু বাংলাদেশে যে মানুষটি আমাকে সবচেয়ে বেশি জায়গা করে দিয়েছেন, তিনি হলেন আল মাহমুদ। অর্থখ্যাতি নয়, পাঠক তার লেখায় সাড়া দেবেনÑ এমন আশায় এখনো লিখে চলেছেন অবিরাম।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। এর পর ভারত বিভাজনের সময় তার পরিবার কলকাতায় চলে যায়। রেলওয়েতে চাকরিরত পিতার সঙ্গে তিনি আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তার জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।

advertisement