advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এফবিআইয়ের সহায়তা চায় দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

অর্থ পাচারে লাগাম টানতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে কেউ যদি অবৈধভাবে অর্থ পাচার করে আমেরিকা বা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে সম্পদ তৈরি করেন সেটা অপরাধ। এসব অর্থ পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে এফবিআইসহ প্রতিটি দেশের এ জাতীয় সংস্থার সহযোগিতা কামনা

করছি। গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয়ের আবাসিক আইন উপদেষ্টা এরিক অপেঙ্গার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ সহায়তা কামনার কথা জানান।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার মন্ত্রণালয় ও এফবিআইয়ের সঙ্গে দুদকের নিবিড় সম্পর্ক। এসব প্রতিষ্ঠান এ দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ প্রত্যর্পণ ও কমিশনের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে যথেষ্ট সহযোগিতা করছে। দুদক এফবিআইয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের অর্থ পাচারের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ট্রেড বেজড মানিলন্ডারিং। এ জাতীয় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে দুদক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবিড় সমন্বয়ের প্রয়োজন। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগ্রহ জানিয়ে দুদক পত্র দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কর্মকৌশল বাস্তবায়ন করা গেলে অর্থ পাচারের লাগাম টেনে ধরা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দুদক এখন প্রতিটি অনুসন্ধান বা তদন্ত রিপোর্টের সঙ্গে নোট বুক অব ইনকোয়ারি সংযোজন বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে কমিশন রিপোর্ট দেখেই তদন্তের গতি-প্রকৃতি অনুধাবন করতে পারছে। এতে কমিশনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি প্রতিরোধ করাও ক্রমান্বয়ে সহজ হচ্ছে।

বৈঠকে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত, প্রতিরোধ অনুবিভাগের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ, আইসিটি ও প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement