advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাফুফের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ মহির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নতুন ঘটনা নয়। দুর্নীতির ঘটনায় বহুবার বহুভাবে খবরের শিরোনাম হয়েছে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এবার খোদ বাফুফের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি। বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনকে লিখিতভাবেই এই অভিযোগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

সামনেই বাফুফের বার্ষিক সাধারণসভা (এজিএম)। তিন বছরের আর্থিক বিষয়ে সেখান হিসাব-নিকাশ উপস্থাপন করার পর তার ওপর সবার মতামত চাওয়া হয়েছিল। সেই মতামত পর্যবেক্ষণ আকারে প্রেরণ করেছেন মহিউদ্দিন আহমেদ। গত তিন বছরের (২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮) আর্থিক প্রতিবেদনে ৮ কোটি ৬১ লাখ, ২০১৭ সালে ৫ কোটি ৬৫ লাখ এবং ২০১৮ সালে ২ কোটি ৭৬ লাখÑ সর্বমোট ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের অনিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তের দাবি করে সভাপতি বরাবর চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মহি। তিনটি আর্থিক প্রতিবেদন তিনটি ভিন্ন অডিট ফার্ম দিয়ে করা হয়েছে, যার দুটি বাফুফের সাধারণসভায় অনুমোদিত নয়। সাধারণসভায় অনুমোদন না থাকলে সেই অডিট ফার্ম দিয়ে অডিট করানো অবৈধ।

বাফুফে সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়ে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘২০১৫ সালে এজিএম-এ কাউন্সিলরদের একটা দাবি ছিল, প্রতি বছরের জন্য একটা বাজেট নির্ধারণ করে তার ব্যয় করতে হবে। সেটা করা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে টাকা খরচ করা হয়েছে দেখানো হয়েছে তার চেয়ে বেশি। ৩ লাখ টাকা হয়তো খরচ হয়েছে, কিন্তু দেখানো হয়েছে ১২ লাখ। কিছু খরচ সাদা কাগজের ভাউচারে করা হয়েছে। সাদা কাগজে কোনো ভাউচার গ্রহণযোগ্য নয়।’ মহিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘২০১৬ সালের অডিট রিপোর্ট কীভাবে ফিফা-এএফসির কাছে পাঠানো হয়েছে। অথচ সেটা নির্বাহী কমিটির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি। এজিএম তো দূরের কথা, ২০১৭ সালের বাফুফের অডিট রিপোর্টও নির্বাহী কমিটিতে পাঠানো হয়নি। ২০১৮ সালের রিপোর্ট তড়িঘড়ি করে করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেটা বাদ দিয়েই ফিফার কাছে পাঠানো হয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ অনৈতিক, অবৈধ।’

আর্থিক অসংলগ্নতা ফিফা ও এএফসির কাছে তুলে ধরার কথাও জানান মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন বাফুফের সহসভাপতি।

advertisement