advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গর্বিত স্মিথ

ক্রীড়া ডেস্ক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৫
advertisement

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে অ্যাশেজ সিরিজ ধরে রাখার পেছনে অসামান্য অবদান রাখতে পারায় নিজেকে গর্বিত মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। তার ব্যাটিং-নৈপুণ্যে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ২-২ সমতা রেখে অ্যাশেজ নিজেদের দখলেই রাখতে পারে অস্ট্রেলিয়া। দলের জন্য অ্যাশেজ ধরে রাখার পেছনে অবদান রাখতে পারায় নিজেকে গর্বিত মনে করছেন স্মিথ। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেট খেলতে নেমে অনেক বেশি নার্ভাস ছিলাম। তবে নিজের ওপর আস্থা ছিল। প্রথম টেস্টের দুই সেঞ্চুরি আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত অ্যাশেজ ধরে রাখতে পেরেছি আমরা। দলের জন্য ভালো কিছু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।’

২০১৮ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন স্মিথ। দ্বাদশ ওয়ানডে বিশ্বকাপ দিয়ে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন স্মিথ-ওয়ার্নার। ওয়ানডের পর অ্যাশেজ দিয়ে টেস্ট ফরম্যাটেও ফেরেন স্মিথ-ওয়ার্নার-বেনক্রফট। তবে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটেছে স্মিথের। সাত ইনিংসে ৭৭৪ রান করেছেন। এবারের অ্যাশেজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজ সেরা হন স্মিথ। প্রথম টেস্টেই দুটি সেঞ্চুরি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় বলে জানান স্মিথ, ‘প্রথম টেস্টের দুটি সেঞ্চুরি অনেক বেশি আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। অমার মনে হয়, পুরো সিরিজে ঐ দুটি সেঞ্চুরিই আমার সেরা দুটি ইনিংস। আমরা জানি, প্রথম টেস্ট সব সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। অ্যাশেজেও ব্যতিক্রম ছিল না। কিছু সমস্যা নিয়ে আমরা অ্যাশেজ খেলতে নেমেছিলাম। তবে প্রথম টেস্টের পর থেকে আমরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠি এবং বাকি ম্যাচগুলোয়ও পারফরম্যান্স করতে পারি।’

১৮ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফেরেন স্মিথ। রাজকীয় পারফরম্যান্সের কারণে তার স্ত্রীকে অনেকেই ধন্যবাদ দিয়েছেন বলে জানান তিনি, ‘১৮ মাস টেস্ট থেকে দূরে ছিলাম। আমার স্ত্রীকে ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ পেয়েছি।’

ইংল্যান্ডের পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারে দ্বিতীয় টেস্টে মাথায় আঘাত পান স্মিথ। ফলে ঐ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংস ও তৃতীয় ম্যাচে খেলতে পারেননি স্মিথ। তবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে চতুর্থ টেস্টে ফিরে এসেই ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তাতে আবারও জয়ের ধারায় ফিরে এবং সিরিজে ২-১ ব্যবধানে লিড নেয় অস্ট্রেলিয়া।

advertisement