advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছাত্রীকে বহিষ্কারের যে ব্যাখ্যা দিলেন ভিসি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৭:৪৯ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৩৪
প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে কথা বলছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েরপ্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য ফাতেমা তুজ জিনিয়ার বহিষ্কারের বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফ্রিং করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তার নিজ কার্যালয়ে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সময়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করা হয়। ওই অনলাইন পোর্টালগুলো কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই না করে এবং প্রশাসনের নিকট থেকে তথ্য না নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।’

ভিসি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার বহিষ্কার শুধু ফেসবুক স্টাটাসের জন্য দেওয়া হয়নি। জিনিয়া অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে ফেসবুকে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা লেখা, কুৎসা রটানো, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ও ই-মেইল আইডি হ্যাক এবং ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট হ্যাক করে ভর্তি পরীক্ষা বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।’

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ভাইস চ্যান্সেলরের ফেসবুক আইডি দুইবার হ্যাক করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষকদেরকে নিয়ে খেলতে চাওয়া, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে মিথ্যাচার ও অশালীন বক্তব্য, অনুমতি ছাড়া প্রশাসনের বক্তব্য রেকর্ড করাকে স্বাধীনতা মনে করা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করে শিক্ষকদের অপমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা একজন শিক্ষার্থী হিসেবে অন্যায়, গর্হিত ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখির কারণে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার নামে এক ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বহিষ্কার করা হয়।

advertisement