advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছাত্রলীগের বিষয়ে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে আরপিও ভঙ্গ হয় না, প্রশ্ন বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:০০ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:০২
ছাত্রলীগের বিষয়ে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে আরপিও ভঙ্গ হয় না, প্রশ্ন করেছেন রিজভী। পুরোনো ছবি
advertisement

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁদাবাজির কারণে শোভন-রাব্বানীকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বাধ্যতামূলক পদত্যাগ করিয়েছেন। তাদের বাদ দিয়ে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অন্যদের দায়িত্ব দেওয়া কী দলীয় সভাপতির সিদ্ধান্তের আরপিও ভঙ্গ হয় না, প্রশ্ন করেছে বিএনপি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই প্রশ্ন করেন।

রিজভী বলেন,‘গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ফ্লাইওভার পরিদর্শন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “বাংলাদেশে এই প্রথম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বাধ্যতামূলক পদত্যাগ করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা নিজেই ছাত্রলীগের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দেখভাল করছেন। ছাত্রলীগের পরবর্তী সম্মেলন সম্পন্ন করতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি।” এতে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয় নিয়মনীতি, বিধিবিধান আইন-কানুন সব লঙ্ঘন করে করে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে ঢাকঢোল পিটিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন। এতে কি আরপিও ভঙ্গ হয়না?’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগ ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগের সহযোগী থাকলেও নতুন ‘দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার’ (আরপিও) বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আরপিও অনুযায়ী ছাত্রলীগ স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সংগঠন। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রও সে-কথাই বলে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আওয়ামী লীগের সংশোধিত চূড়ান্ত গঠনতন্ত্রের ২৫ (১) ধারা অনুযায়ী ছাত্রলীগ তাদের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন মাত্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘এদিক থেকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগকে কোনো আদেশ-নির্দেশ দেওয়া বা তাদের ওপর হস্তক্ষেপ করা সম্পূর্ন বেআইনি। তারা কেবল পরামর্শ দেওয়ার অধিকার রাখে। বিএনপির মত আওয়ামী লীগও আরপিও অনুযায়ী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদও এক সময়ের ছাত্রলীগ সভাপতি। কিছুদিন আগে একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে “নীতিগতভাবে ছাত্রলীগকে আমরা কিছু বলতে পারি না। ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের শুধুমাত্র ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। জনপ্রতিনিধিত্ব (আরপিও) আইন অনুযায়ী তারা স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সংগঠন। ফলে ছাত্রলীগকে কোনো নির্দেশ দেওয়া সম্পূর্ন বেআইনি। তবে আমরা পরামর্শ দিতে পারি মাত্র।” বলে জানিয়েছিলেন তোফোয়েল সাহেব।’

advertisement