advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জাতীয় দলে মামা-ভাগনে

মামুন হোসেন
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১৬ | আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:২০
বাঁ থেকে সোহেল রানা ও পাপ্পু আহমেদ
advertisement

ক্লাব ফুটবল এবং জাতীয় দলের পরীক্ষিত, চেনামুখ মিডফিল্ডার সোহেল রানা। দীর্ঘদিন ধরে লাল-সবুজ জার্সিতে খেলছেন তিনি। সবশেষ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফগানিস্তান ম্যাচেও ছিলেন। সামনে কাতার এবং ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে বাংলাদেশের।

সেই ম্যাচের জন্য ২৬ সদস্যের যে দলটি আজ মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), তাতেও রয়েছেন সোহেল। সেই দলের নতুন সদস্য গোলরক্ষক পাপ্পু আহমেদ। সম্পর্কে মামা-ভাগনে তারা। সোহেলের আপন খালাতো বোনের ছেলে পাপ্পু।

ঘরোয়া ফুটবলে গেল মৌসুম মিশ্র অভিজ্ঞতায় পার করেছেন তরুণ গোলরক্ষক পাপ্পু। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় তিনি। কিন্তু সাইফের জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগের প্রথম লেগে খেলার সুযোগ হয়নি তার। সাইডবেঞ্চে কাটিয়েছেন। দ্বিতীয় লেগের দলবদলের সময় সাইফ থেকে ধারে মোহামেডানে চলে আসেন পাপ্পু।

সাদা-কালো শিবিরে এসে ভাগ্য বদলে যায় তার। সাইডবেঞ্চ থেকে সরাসরি সেরা একাদশে জায়গা হয়। প্রথম লেগে অবনমন অঞ্চলে থাকা মোহামেডানকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে আসেন পাপ্পু। সাদা-কালো শিবিরে ভালো পারফরম্যান্সের ফল আজ হাতেনাতে পেলেন। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেলেন পাপ্পু।

জাতীয় ফুটবল দলে মামা-ভাগনের একসঙ্গে খেলার ইতিহাস পরিসংখ্যান ঘেঁটে পাওয়া যায়নি। সোহেল-পাপ্পুরও সেই তথ্য জানা নেই। ভাগনে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ায় দারুণ খুশি মামা।

সোহেল বলেন, ‘পাপ্পু আমার খুব আদরের ভাগনে। ও জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াতে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। সে তার পরিশ্রমের ফল পেয়েছে। গত বছর মোহামেডানের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছে আমার ভাগনে। ’

প্রাথমিক দলে গোলরক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে জুনিয়র এবং অনভিজ্ঞ পাপ্পু। দলে আশরাফুল ইসলাম রানা, শহিদুল আলম সোহেলের মতো অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের পাশাপাশি পরীক্ষিত আনিসুর রহমান জিকোও রয়েছেন। তাদের হারিয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে পারবেন তো পাপ্পু।

advertisement