advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের ফাঁসি, চারজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:২৬ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:২৬
মা-ছেলে হত্যাকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্তরা
advertisement

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মা-ছেলেকে হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, নিহত আকলিমা বেগমের দেবর আবুল মাস্টার, সাবেক বিজিবি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ও ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, মনিরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ হিল কাফি, রুহুল ও রুস্তম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এ বছরের এপ্রিলেই মামলাটি জেলা জজ আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছিল। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাদীপক্ষ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে বাগমারার দেউলা গ্রামে নিজ বাড়িতে পারিবারিক কলহের জেরে আকলিমা বেগম ও তার ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় আকলিমার বড় ছেলে দুলাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এরপর থেকে বিভিন্ন সময় নানা মোড় নেয় এই জোড়া খুনের তদন্তে। তিন দফা বদল করা হয় তদন্ত কর্মকর্তা। শেষে গত বছরের ৩১ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক আলমগীর হোসেন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বাদী নিহত আকলিমা বেগমের বড় ছেলে দুলাল হোসেন জানান, ছোটবেলায় তার বাবা মারা যাওয়ার পর চাচা আবুল হোসেনই সব সম্পত্তির দেখাশোনা করতেন।

২০১৪ সালে তার ভাই জাহিদ হাসান রাজশাহী কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে মাস্টার্স শেষ করেন। জাহিদ পড়াশোনা শেষ করে চাচার কাছ থেকে সব সম্পত্তি বুঝে নিতে চেয়েছিলেন। আর এটি নিয়েই চাচার সঙ্গে পারিবারিক কলহ শুরু হয়েছিল। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে তার মা ও ভাইকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এ রায়ে সন্তষ্টি প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান দুলাল হোসেন।

advertisement