advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৩
advertisement

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব দুর্নীতি সংঘটিত হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। অপরাধীরা এমনভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা নিয়ন্ত্রণ করা চ্যালেঞ্জিং। গতকাল দুদক কমিশন কার্যালয়ে ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের

(ইউএনওডিসি) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে দুদক চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের লেনদেন হচ্ছে কিনা, তা মনিটরিংয়ের জন্য কমিশন ডেটাবেজে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও দুদক সমন্বিতভাবে ট্রেড বেইজড মানিলন্ডারিংসহ সব প্রকার অবৈধ লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। অর্থপাচার বন্ধ করতে হলে এসব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। যারা জালিয়াতি করে ব্যাংকঋণ গ্রহণ করছেন, তারাই ওভার-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করছেন বলে আমাদের ধারণা। তাই সবার সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমে সরকার বা কোনো রাজনৈতিক দল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে না, যা আমাদের বড় শক্তি। আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে, দুদক তার কাজের মাধ্যমে কাক্সিক্ষত মাত্রার আস্থা অর্জন করতে পারেনি। তাই নাগরিকদের আস্থা অর্জনের উদ্দেশে এখন বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, কমিশন উত্তম চর্চার বিকাশ, তথ্য বিনিময়, দুর্নীতি দমনে কৌশল নির্ধারণসহ বিভিন্ন ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য ভুটান, রাশিয়া ও ভারতের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্মাক্ষর করেছে। আরও কয়েকটি দেশের এ জাতীয় সংস্থার সঙ্গে স্মাক্ষরের বিষয়গুলো প্রক্রিয়াধীন।

তিনি বলেন, দুদক অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে শূন্যসহিষ্ণুতার নীতি অবলম্বন করছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকা-ের অভিযোগে বেশ কয়েক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কমিশনের অভ্যন্তরে দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।

advertisement