advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

যুবলীগের খালেদ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০০
advertisement

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। একই সময় মতিঝিলের আরামবাগে অবস্থিত তার মালিকানাধীন ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অবৈধভাবে চলা ক্যাসিনোতে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানকালে ক্যাসিনো থেকে ১৪২ নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করে নানা মেয়াদে কারাদ- প্রদান করা হয়। এ সময় ২৪ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ মদ, বিয়ার ও জুয়াখেলার সামগ্রী জব্দ করা হয়। গতকাল বিকাল থেকেই গুলশানস্থ খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বাসভবন এবং আরামবাগের ক্যাসিনোটি ঘেরাও করে রাখে বিপুলসংখ্যক র‌্যাব সদস্য; সন্ধ্যায় একযোগে চলে অভিযান।
গতকাল রাতে ফকিরাপুল ছাড়া রাজধানীর আরও তিনটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালায় র‌্যাব। এগুলো হচ্ছে মতিঝিলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্র এবং বনানীর আহম্মেদ টাওয়ারে অবস্থিত গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ। এর মধ্যে মতিঝিলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, জুয়ার সামগ্রী, অবৈধ মদ ছাড়াও ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। ফকিরাপুল ক্লাবের ৫০ গজের মধ্যেই এ ক্লাবটি। র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ক্লাবটি পরিচালনা করতেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষস্থানীয় দুই নেতা। গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্র থেকে ৩৯ জনকে আটকসহ ৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ও একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি জব্দ করা হয়। শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলী আহমেদ মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের পরিচালক হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট। আর মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রে জুয়ার আসর থেকে ওঠা চাঁদার টাকা তুলতেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদউদ্দিন রতন। মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের অফিসকক্ষে

আলী আহমেদের পাশাপাশি যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি সম্রাটের ছবিও সাঁটা আছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ফুটবল খেলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া ক্লাবটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করে ৮টি জুয়ার আসর বসানো হয়। এর মধ্যে ৩টি আসর ছিল ভিআইপিদের নামে। এসব ক্লাবে ভিআইপিদের মধ্যে কারা যাতায়াত করতেন, আমরা এর খোঁজখবর নিচ্ছি। আর রাজধানীর ক্যাসিনোগুলোতে অভিযান চলার খবর পেয়ে গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি খোলা রেখেই পালিয়ে যায়। কাউকে না পেয়ে ক্যাসিনোটি সিলগালা করে দেয় র‌্যাব ১-এর আভিযানিক দলের নেতৃত্বদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে অবৈধভাবে জুয়া ও ক্যাসিনো চালানো অভিযোগে যুবলীগ নেতা খালেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে র‌্যাবের মুখপাত্র লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম আমাদের সময়কে বলেন, রাজধানীর সব ক্যাসিনোতেই আমাদের অভিযান চলবে।
খালেদকে গ্রেপ্তারকালে তার কাছে দুটি পিস্তল ও একটি শটগান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবেরই আরেক কর্মকর্তা। এর মধ্যে শটগান ও একটি পিস্তলের লাইসেন্স দেখাতে পেরেছেন খালেদ। তবে এগুলো ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। আরেকটি পিস্তলের কোনো লাইসেন্স দেখাতে পারেননি তিনি। তার বাসা থেকে ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, ৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ ডলার এবং ২টি প্যাকেটে ৪০০ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে র‌্যাব।
খালেদকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল স্ট্রাইপ টি-শার্ট, জিন্সের প্যান্ট ও স্যান্ডেল। র‌্যাবের কালো কাচঘেরা দুটি মাইক্রোবাসে করে রাত ৮টা ২৪ মিনিটে র‌্যাব-৩ সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয় খালেদকে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার গুলশানের বাসার সামনে গণমাধ্যমকর্মীরা ভিড় করেন। ৩১শ বর্গফুটের ওই ফ্ল্যাটটি কিনেছেন খালেদ। এ বাসায় তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও শাশুড়িকে নিয়ে থাকেন। বাড়ির ব্যবস্থাপক আরিফ হোসেন আমাদের সময়কে জানান, গতকাল বেলা তিনটার দিকে সাদা পোশাকে দুটি টিম প্রথমে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দেন। এরপর ঘণ্টাখানেক পর র‌্যাব ৩-এর একটি আভিযানিক দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং বাসায় তল্লাশি চালায়। একটি শটগান, দুটি পিস্তল, ৫৭ রাউন্ড বিভিন্ন বোরের গুলি, ৫/৬ লাখ টাকার সমপরিমাণ ডলার, নীল দুটি প্যাকেটে ৪০০ পিস ইয়াবা এবং ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাতের পর বাসার বাইরে বের হননি খালেদ।
র‌্যাব সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গতকাল রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাজধানীর তিনটি ক্যাসিনোতে অভিযান চালানো হয়েছে। রাতভর রাজধানীর ৮টি ক্যাসিনোতে এ অভিযান চলার কথা।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় যুবলীগ নেতাদের অপকর্ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনটির প্রভাবশালী নেতা খালেদকে ধরতে অভিযানে নামে র‌্যাব। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা শোভন-রাব্বানীর চেয়েও খারাপ।’
প্রধানমন্ত্রী সে সময় আরও বলেন, ‘যুবলীগ ঢাকা মহানগরের এক নেতা যাচ্ছেতাই করে বেড়াচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে। আরেকজন দিনের বেলাতেই তিন গাড়িভর্তি অস্ত্রবাজসহ প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে চলে। সদলবলে অস্ত্র নিয়ে ঘোরে। এসব বন্ধ করতে হবে। যারা অস্ত্রবাজি করে, যারা ক্যাডার পোষে, তারা সাবধান হয়ে যান, এসব বন্ধ করুন। তা না হলে যেভাবে জঙ্গি দমন করা হয়েছে, একইভাবে তাদেরও দমন করা হবে।’
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী স¤্রাট এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে ইঙ্গিত করে এসব বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরই সম্রাট ও খালেদকে যে কোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে।
গতকাল বুধবার বিকালে হঠাৎ বিপুলসংখ্যক র‌্যাব সদস্য খালেদ মাহমুদের মালিকানাধীন ইয়ংমেনস ফকিরাপুল ক্লাবে পরিচালিত ক্যাসিনো ঘিরে ফেলে। একই সময়ে খালেদের গুলশান ২ নম্বরের ৫৯ নম্বর রোডে অবস্থিত ৫ নম্বর বাড়িটিও ঘিরে ফেলে।
মতিঝিল থানা থেকে দেড়শ মিটারের মধ্যে অবস্থিত ফকিরাপুল ইয়াংমেনস ক্লাব। ক্যাসিনো ও জুয়ার আসর চলা এ ক্লাবটি ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকত। এখানে একটি ভিআইপি রুম ছিল, যেখানে আটজন একসঙ্গে ফ্লাশ গেম নামের জুয়া খেলতে পারত; ছিল ৮টি জুয়ার টেবিল, ৬টি ইলেকট্রনিক ক্যাসিনো মেশিন। এ ছাড়া ক্লাবের ভেতরে ও বাইরে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরায়ও রাখা হতো নজরদারি। ক্লাবটি একতলা ভবনে, এর উপরে টিনশেডে তৈরি কক্ষে থাকতেন ক্যাসিনোর কর্মচারীরা। ক্লাবের সভাপতি খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. সাব্বির হোসেন। ক্লাবটিতে প্রবেশের মুখেই রয়েছে খালেদের অফিস।
ক্লাবের প্রতিদিনের জমার খাতা থেকে দেখা গেছে, দিনে কমপক্ষে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা আয় হতো। অভিযানে ক্লাব থেকে মদ, ইয়াবা ও সিগারেটসহ ১৪২ জনকে আটক করে র‌্যাব। এর মধ্যে ১৬ জন ক্লাবের স্টাফ। আটককৃত ১৩১ জনের বিরুদ্ধে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছর করে কারাদ- দিয়েছেন। অবশিষ্ট ১০ জনকে ৬ মাস করে কারাদ- দিয়েছেন আদালত। অভিযান শেষে ক্লাবটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে এক চীনা নাগরিক ছিলেন, যিনি ক্যাসিনোর ইলেকট্রনিক মেশিনগুলো অপারেট করতেন।
আটককৃতদের একজন মো. মিলন নরসিংদীর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে এখান থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা জিতেছেন। এর পর তিনি গতকালই ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হেরেছেন। পরশু দিন হেরেছেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তিনি জানান, এ ক্লাবে জুয়া খেলে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকা খুইয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ এলাকায় ওয়ান্ডারার্স ভিক্টর, দিলকুশা ক্লাব, গুলিস্তান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাব নামে আরও কিছু ক্লাব রয়েছে, যেখানে জুয়া ও ক্যাসিনোর আসর বসে।
র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, খালেদ ছাড়াও যারা এ ক্যাসিনো কারবারে জড়িত, তাদের আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। ক্লাবটি মূলত ফুটবল ক্লাবের নামে করা হলেও এখানে ফুটবল সম্পর্কিত কোনো কিছুই হতো না। বরং জুয়ার আসর বসত। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ক্লাবে জুয়া ও ক্যাসিনোর অনুমতি নেই।
আটক ১৪২ জনের বাইরে আরও দুই নারীকে আটক করা হলেও তারা নিজেদের রিসিপশনিস্ট পদে কর্মরত দাবি করায় ছেড়ে দেওয়া হয়। দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, ক্যাসিনোর ভিআইপি কক্ষে অনেকেই আসতেন। তবে তারা কাউকে চেনেন না।
ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠন যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার পরই মূলত খালেদের উত্থান। মতিঝিল, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল কলোনি ও আশপাশের এলাকায় তিনি রাজত্ব কায়েম করেন। রাজউক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও রেলভবনের ঠিকাদারিও নিয়ন্ত্রণ করতেন খালেদ। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ দরপত্র দাখিল করতে পারতেন না; পেতেন না ঠিকাদারিও।
ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করতে রাজউক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও রেলভবনে সব সময় খালেদের ক্যাডারদের পাহারা থাকত। দরপত্র আহ্বান করার পর প্রায় সময়ই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ইঞ্জিনিয়ারদের ডেকে পাঠাতেন খালেদ। কীভাবে কাজ বণ্টন করতে হবে, তাও বলে দিতেন। তার মতের বাইরে কাউকে কাজ দেওয়া সম্ভব হতো না।
জানা গেছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী জাফর আহমেদ মানিকের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন খালেদ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নেতা হওয়ার পর মানিকের বাহিনীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন খালেদ। এর পর এক সময় আধিপত্য অব্যাহত রাখার জন্য মানিকের ফাঁসি চেয়ে রাজধানীর দেয়ালে দেয়ালে পোস্টারও সাঁটানো হয় খালেদের নির্দেশে।
মতিঝিলের স্থানীয় এলাকার আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, এলাকার আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের সঙ্গে তার মনোমালিন্য ছিল। মতিঝিলের এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ কয়েকজনকে প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখিয়ে গুলি করার হুমকি দেন তিনি। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যায় দলের শীর্ষ মহলে।
জানা গেছে, ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবের সভাপতি ছিলেন নাসির উদ্দিন মল্লিক পিন্টু। অস্ত্রের মুখে তার থেকে পদ কেড়ে নেন খালেদ। বিষয়টি আরামবাগ ও ফকিরাপুল এলাকার সবারই জানা।

খালেদের টর্চার সেলের সন্ধান
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের উল্টো পাশে অবস্থিত ইস্টার্ন কমলাপুর টাওয়ারে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে খালেদের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-৩। র‌্যাব জানায়, টর্চার সেলে নির্যাতনের অনেক ধরনের যন্ত্রপাতি রয়েছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এখানে এনে নির্মম নির্যাতন চালানো হতো। এমনকি বৈদ্যুতিক শকও দেওয়া হতো মধ্যযুগীয় কায়দায়।
র‌্যাব ৩-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শফিউল্লাহ বুলবুল গতকাল রাতে এ প্রতিবেদন লেখার সময় আমাদের সময়কে জানান, খালেদের টর্চার সেলে অভিযান চলমান রয়েছে।

 

 

advertisement