advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাইক্লিংয়ে হারানো গৌরব ফেরানোর লক্ষ্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১০
advertisement

ঘরের মাঠে ২০১০ সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে সাইক্লিংয়ে রুপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ভারতের গোয়াহাটি-শিলং এসএ গেমসে এ ইভেন্টে পদকবঞ্চিত হয় লাল-সবুজরা। হারানো পদক পুনরায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠিত এসএ গেমস নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশন।

গত ১৫ জুলাই ১৬ জন সাইক্লিস্ট ও তিন কোচকে নিয়ে গোপালগঞ্জে শুরু হয় সাইক্লিংয়ের ক্যাম্প। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর সাইক্লিস্টদের সংখ্যা কমে নেমে আসে ১০ জনে। এরা হলেন রিপন কুমার বিশ্বাস, আবদুস সবুর, সিরাজুল ইসলাম, খন্দকার মাহবুব, শিল্পী খাতুন, সুবর্ণা বর্মণ, সমাপ্তি বিশ্বাস, শরীফা আক্তার, নিশি খাতুন ও রুমি খাতুন। চারটি ইভেন্টে অনুশীলন করছেন এ সাইক্লিস্টরা। এগুলো হলোÑ ছেলেদের ১০০ ও ৪০ কিলোমিটার ইনডিভিজুয়াল পারস্যুট এবং নারীদের ৮০ ও ৩০ কিলোমিটার ইনডিভিজুয়াল পারস্যুট। তবে গেমসের একটি ইভেন্ট নিয়ে সন্দিহান ক্যাম্প কমান্ডার ইমাম হোসেন সোহাগ, ‘ছেলেদের ১০০ কিলোমিটার ও মেয়েদের ৮০ কিলোমিটার ইনডিভিজুয়াল পারস্যুট আসলে আন্তর্জাতিক সাইক্লিং ইউনিয়ন (ইউসিআই) এবং এশিয়ান সাইক্লিং কনফেডারেশন (এসিসি) অনুমোদিত নয়। এ দুটি ইভেন্ট মূলত মাস স্টার্ট বা রোড টিম ট্রায়াল হবে। বিষয়টি নিয়ে ভারতও আমাদের সঙ্গে একমত। তাই এখন ইভেন্টটি কী হবে তা আমাদের জানায়নি নেপাল।’ গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গিপাড়া এবং ভাটিয়াপাড়া রোডে চলছে সাইক্লিস্টদের এ অনুশীলন। গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গিপাড়া ২০ কিলোমিটার এবং গোপালগঞ্জ টু ভাটিয়াপাড়া ৩০ কিলোমিটার পথ। ফলে ১০০ কিলোমিটার ইনডিভিজুয়াল পারস্যুটে গোপালগঞ্জ থেকে টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়া ও আসায় ৪০ কিলোমিটার এবং ভাটিয়াপাড়ায় যাওয়া আসায় আরও ৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিচ্ছেন সাইক্লিস্টরা। এভাবেই ১০০ কিলোমিটার সাইক্লিং করছেন তারা। ফেডারেশন সভাপতি শফিউল্লাহ আল মুনীর বলেন, ‘সাইক্লিংয়ের গৌরব ফেরাতে চাই আমরা। তাই কঠোর পরিশ্রম করছেন সাইক্লিস্টরা।’

advertisement