advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমি ব্যালন ডি’অরের যোগ্য দাবিদার

১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১০
advertisement

বিশ্ব ফুটবলে অন্যতম মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি

দেশের হয়েও সম্মান বয়ে এনেছেন। মোটা দাগে বলতে গেলে ৫টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও সমান ৫টি ব্যালন ডি’অরও রয়েছে সিআরসেভেনের। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিও কম যান না। তিনিও ৫ ব্যালন ডি’অরের মালিক। সম্প্রতি ৩৪ বছর বয়সী রোনালদোর শৈশব, ব্যক্তিগত জীবন, পেশাদার লড়াই, ফুটবল দর্শন ও চাওয়া-পাওয়া নিয়ে অনেক কথা বলেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগ্যানের সঙ্গে। আইটিভিতে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন তিনি। দৈনিক আমাদের সময়ের

পাঠকের জন্য সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ প্রকাশ করা হলোÑ

প্রশ্ন : ব্যালন ডি’অর নিয়ে আপনার কী বলার আছে? মেসির চেয়ে কি বেশি পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন?

রোনালদো : লিওনেল মেসি ফুটবলের ইতিহাসে রয়েছে। সে অবিশ্বাস্য খেলোয়াড়। আমার মনে হয় মেসির চেয়ে ওপরে থাকতে আমাকে ৬টা, ৭টা অথবা ৮টা ব্যালন ডি‘অর পেতে হবে। আমার মনে হয় আমি ব্যালন ডি’অরের যোগ্য দাবিদার। আসলে খুব ভালো লাগবে যদি পেয়ে যাই (এবার)। আমরা (মেসির সঙ্গে) বন্ধু নই। তবে আমরা এ মঞ্চটিতে ১৫ বছর ধরে রাজত্ব করছি। আমি জানি ভালো ফুটবলার হতে সে আমাকে সহযোগিতা করেছে। আমারও মনে হয় দুর্দান্ত খেলোয়াড় হতে আমিও তাকে সহযোগিতা করেছি।

প্রশ্ন : রোনালদো কি রেকর্ডের জন্য খেলেন?

রোনালদো : আমি রেকর্ড তাড়া করি না। রেকর্ড আমাকে তাড়া করে। সফলতার প্রতি আমি আসক্ত। কখনই মনে করি না এটি খারাপ। সব সময় মনে হয় এটি ভালো। সফলতা পেতে প্রেষণা কাজ করে। যদি কাজের প্রতি প্রেষণা না থাকে তা হলে ভালো হবে ছেড়ে দেওয়া।

প্রশ্ন : ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে আপনার কী বলার আছে?

রোনালদো : আমি যা করছি বা করেছি সেজন্য আমি ফুটবলের ইতিহাসে থাকব। মনে হবে যে আমি ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের একজন। আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, আমিই ইতিহাসের এক নম্বর খেলোয়াড়। এটিও জানি ইতিহাসে সেরাদের একজন আমি।

প্রশ্ন : প্রতিভাই কি সব কিছু? জীবনে আর কিসের প্রয়োজন রয়েছে?

রোনালদো : অনেক আত্মত্যাগ করেছি। জয়ের জন্য অনেক কাজ করতে হয়। যেটাকে আমরা সফলতা বলি সেটার জন্য লড়াই করতে হয়। প্রতিভাই শেষ কথা নয়। আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। আর সেটা থেকেই সফলতা এসেছে।

প্রশ্ন : ধর্ষণ মামলার পরিস্থিতি নিয়ে কী ঘটেছিল? আপনার পরিবারে কী প্রভাব ফেলেছে?

রোনালদো : একদিন আমি বসার ঘরে ছিলাম। টিভির চ্যানেলে খবর হচ্ছিল। আর সেখানে আমার এই ধর্ষণ প্রসঙ্গে প্রতিবেদন দেওয়া হচ্ছে। আমার ছেলে সিঁড়িতে ছিল। আমি চ্যানেল পরিবর্তন করি। আমার পরিবার আছে, বাচ্চা ও জর্জিনাও (বান্ধবী) ছিল। ওই সময় খুব হতাশ মনে হচ্ছিল নিজেকে।

প্রশ্ন : বাবার স্মৃতি নিয়ে কিছু বলবেন কি?

রোনালদো : তিনি মদ্যপ ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে কখনই আমি তার সঙ্গে কথা বলিনি। আসলে কঠিন ছিল সেটা। তবে আমার দুঃখ রয়েছে। আমি বিশ্বসেরা হয়েছি, সম্মাননা নিচ্ছি এসব সে দেখে যেতে পারেননি। আমার মা, ছেলে ও বড় ভাই দেখেছে আমার এসব দিন। তিনি যখন মারা যান তখন আমি ছোট ছিলাম।

প্রশ্ন : বিয়ের ব্যাপারে কী ভাবছেন। জর্জিনাকে বিয়ে করবেন?

রোনালদো : কেন নয়। অবশ্যই বিয়ে করব। তবে সেটা এখন নয়। একদিন অবশ্যই করব। আমি এটা এড়িয়ে যেতে পারি না।

প্রশ্ন : ব্যাংকে গত টাকা আছে?

রোনালদো : হাফ বিলিয়ন ডলার হবে। যা আছে সেটা যথেষ্ট।

প্রশ্ন : মাকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আসতে মানা করেন?

রোনালদো : উনি চাপ বোধ করেন। আর দুবার অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। কেঁদেও ফেলেন।

প্রশ্ন : আপনার সেরা গোল কোনটি?

রোনালদো : জুভেন্টাসের সঙ্গে বাইসাইকেল কিকের গোলটি। জিয়ানলুইজি বুফন গোলরক্ষক ছিলেন। যেভাবে গোলটি করেছি সত্যি অসাধারণ ছিল। ৭০০-এর মতো গোল আছে আমার। ওই গোলটি মনে থাকবে।

advertisement