advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হাতীবান্ধায় তলিয়ে গেছে রোপা আমন

হাতীবান্ধা প্রতিনিধি
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১০
advertisement

টানা প্রবল বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার চর এলাকা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। অনেকে গবাদিপশু, পাখি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন।

গত মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার ছাড়িয়ে তা ৫২ দশমিক ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বুধবার সকালে পানি কিছুটা কমে তা বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানির নিচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার রোপা ও আমন ধানের চারা। আকস্মিকভাবে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

হওয়ায় চিন্তিত তিস্তাপাড়ের মানুষ। সম্প্রতি কয়েক দফা বন্যার ধকল কাটিয়ে না উঠতেই আবারও বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তারা। তিস্তার পানি দ্রুত না কমলে রোপা আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে জানান তারা।

হাতীবান্ধা উপজেলার হলদিবাড়ী গ্রামের কৃষক সাদেকুল ইসলাম জানান, তার ৫ বিঘা জমির রোপা আমন ধানের চারা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সময়মতো বানের পানি নেমে না গেলে রোপা-আমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি জানান, অসময়ে আরও একটি বন্যা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন তারা। রোপা আমন নষ্ট হয়ে গেলে দুর্বিষহ জীবনে পড়ে যাবেন তারা।

তিস্তার চর গড্ডিমারীর মমিনুর রহমান জানান, আকস্মিক তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তাদের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। বাড়িঘর ছেড়ে গবাদিপশু, পাখি আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে কোনো রকমে নিরাপদ আশ্রয়ে ঠাঁই নিয়েছেন তারা।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিধুভূষণ রায় তিস্তার পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল ও বিস্তীর্ণ চর এলাকার রোপা আমন ও সবজিক্ষেত তলিয়ে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করে জানান, রোপা আমনের তেমন ক্ষতি হবে না। তবে সবজির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফজলে করিম জানান, মঙ্গলবার রাতে তিস্তার পানি অনেক বেড়েছিল। তবে গতকাল সকাল ৮টার দিকে পানি কিছুটা হ্রাস পেলেও সাড়ে ৯টা থেকে আবারও পানি বাড়ছে।

advertisement