advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাদের চেয়ে আসিফের নগদ টাকা বেশি

নজরুল মৃধা রংপুর
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১০
advertisement

এরশারপুত্র রাহগীর আল মাহির সাদ এরশাদের চেয়ে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী চাচাতো ভাই আসিফ শাহরিয়ারের নগদ টাকা বেশি। ৩৪ লাখের বিপরীতে মাত্র ৬ লাখ টাকা। আসিফের স্বর্ণের পরিমাণ দুই ভরি হলেও সাদের রয়েছে ৫ হাজার টাকার। এ ছাড়া বিএনপির রিটা রহমানও মাত্র দুই ভরি স্বর্ণ দেখিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায়।

তথ্যানুয়ায়ী, এরশাদের ভাতিজা স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ শাহরিয়ারের নগদ ৩৪ লাখ টাকা রয়েছে। ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ৩১ লাখ ২১ হাজার টাকা। বাস-ট্রাক ও গাড়ি রয়েছে ৩৩ লাখ ৭১ হাজার টাকার। দুই লাখ টাকার ইলেক্টনিক্স সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র থাকলেও আসিফের কোনো কৃষি জমি নেই। বাড়ি ও দোকান ভাড়া পান ৩৮ হাজার টাকার মতো। ব্যবসায় আয় হয় ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। যদিও ব্যাংক ঋণ থাকায় সুদ দিতে হয় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এইচএসসি পাস আসিফের পেশা হিসেবে দেখানো হয়েছে সাধারণ ব্যবসায়ী ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

ভাই আসিফের চেয়ে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী সাদের নগদ অর্থ কম থাকলেও নিজের নামে ৩৩ লাখ টাকার কৃষি জমি

রয়েছে। দালান, আবাসিক বাণিজ্যিক খাতে আয় রয়েছে ২৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। মা রওশন এরশাদের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ধার নিয়েছেন। এ ছাড়া অগ্রিম ভাড়া বাবদ নিয়েছেন ৬ লাখ টাকা। তবে নগদ রয়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫২ টাকা। বিদেশি মুদ্রা রয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সমপরিমাণ। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে ৫ হাজার টাকার। ব্যবসায়ী সাদের ব্যবসা থেকে আয় আসে ৫০ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

ধানের শীষের প্রার্থী রিটা রহমানের কৃষি জমি ১৫ বিঘা। এ ছাড়া অকৃষি জমি রয়েছে ১২ শতক। আবাসিক ও বাণিজ্যিক দালান ৯ লাখ টাকার। বাড়ি রয়েছে ১৪ লাখ টাকা মূল্যের। নগদ টাকা আছে ২ লাখ এবং ২০০ মার্কিন ডলার। পোস্টাল সেভিংস ৮ লাখ টাকা। রিটা রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ। পেশা হিসেবে দেখা হয়েছে শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি। এদিকে গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর শাপলা চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে তার স্বামী খায়রুজ্জামান বঙ্গবন্ধু এবং জেল হত্যার সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন রিটা রহমান। তিনি জানান, তার শ্বশুরবাড়ি গোপালগঞ্জে। শ্বশুরের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। ১৯৭৫ সালে যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় তখন তার স্বামী ছিলেন ভারতে। পরবর্তীতে জেল হত্যা মামলায় তাকে জড়ানো হলেও তিনি মামলা থেকে অব্যাহতি পান। নির্বাচনের সময় স্বামীকে নিয়ে এ ধরনের প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান রিটা।

advertisement